কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত: ৭:১৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক : মাগুরার মহম্মদপুরে কলেজছাত্রীকে বাথরুমে বেঁধে রেখে গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় তিন সহদোরসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আখি উপজেলা সদররে কাজী সালিমা হক মহিলা কলজের ১ম বর্ষর ছাত্রী। সে করিনগর গ্রামের আকরাম মোল্যার বড় মেয়ে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের কেরিনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সোমবার দুপুরে এ বিষয় মহম্মদপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। এঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামিকে একই ইউনিয়নের ডুমুরশিয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- আরিফ মোল্যা, হারেজ মোল্যা, মাসুদ মোল্যা, কামরুল হাসান ও বাবুল মোল্যা।

পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে বাড়ির মধ্যে পরিবারর সাথে কথা বলার সময় আখি বাথরুম যাওয়ার কথা বলে উঠে আসে। কিছু সময় পর তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে দেখে বাঁধা অবস্থায় আখির গায়ে আগুন জ্বলছে।

তখন বাড়ির লোকজন অগ্নিদগ্ধ আখিক উদ্ধার করে প্রথম মাগুরা মেডিকল কলেজ হাসপাতালে তারপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে।

একটি সূত্র জানায়, আটককৃত মাসুদ মোল্যার ছেলে নাজমুলের সাথে আখির বিয়ে হয়। কিছুদিন পর আখির বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে আবার নাজমুল বিয়ের জন্য চাপ দিলে আখির পরিবার এতে রাজি হননি। তবে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আখির গায়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আখির চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ আখি চিৎকার করে উঠলে তাকে বাথরুমে বাঁধা ও শরীরে আগুন ধরা অবস্থায় দেখতে পাই। পরে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। এ ঘটনায় আমি কাউকে ঘটনাস্থলে দেখতে পায়নি।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস বলন, এ বিষয় সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেছেন দগ্ধ আখির দাদা। অভিযুক্ত পাঁচজনক গ্রেফতার করে কোর্টে পাঠানা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।