| | বুধবার, ২রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী |

খুলনার কর্মরত সাংবাদিকদের মানববন্ধন,সাংবাদিক জলিলকে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

প্রকাশিতঃ ৩:০২ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৮, ২০১৯

আতিয়ার রহমান,খুলনা অফিস : খুলানা প্রেসক্লাবের সহকারী সম্পাদক, খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার এ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক খুলনাঞ্চল’র সিনিয়র রিপোর্টার এমএ জলিলকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার এবং কল্প কাহিনী সাজিয়ে মাদক মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠানোর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও কঠোর সমালোচনা করেছেন খুলনার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে খুলনার কর্মরত সাংবাদিকদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে সাংবাদিক এমএ জলিলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোর্সদের মাধ্যমে মাদক বিকিকিনির পথ পরিষ্কার করতে যেভাবে সাংবাদিক এমএ জলিলকে হয়রানিমূলক মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তাতে সমগ্র সাংবাদিক সমাজ আতঙ্কিত।

মাদক নির্মূলে সরকারের জিরোটলারেন্স নীতি ভেস্তে দিয়ে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী মাদক বিক্রেতাদের লালন-পালন করছেন বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সাংবাদিক এম এ জলিলকে নিঃশর্ত মুক্তি এবং মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের অসাধু কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবি করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ’র ব্যুরো প্রধান কাজী মোতাহার রহমান বাবু। দৈনিক ‘কালের কণ্ঠ’ খুলনা বু্যূরোর নিজস্ব প্রতিবেদক কৌশিক দে বাপী, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পুর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার হাসান হিমালয় মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন।

এমপি রানার জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অসাধু সোর্স ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৎ, পেশাদার ও কর্মনিষ্ঠ সাংবাদিক এমএ জলিলের বাড়ীতে অভিযান চালায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। তারা শার্টার ভেঙ্গে ও দেয়াল টপকে বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে সাংবাদিক এম এ জলিলের বাড়ির পাশে ড্রেন থেকে ১০ বোতল পরিত্যক্ত ফেন্সিডিল উদ্ধার দেখিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থল ও মামলার এজাহারেই প্রমাণিত হচ্ছে ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো ষড়যন্ত্র; এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে সাংবাদিক নেতারা পরিবারের বরাত দিয়ে দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, সাবেক সেনা সদস্য ও ক্রীড়া সংগঠক এমএ জলিলের মতো সজ্জন এবং পরোপকারী ব্যক্তির পক্ষে কোনোভাবেই মাদক বিক্রি ও বিক্রিতে প্রশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়। স্থানীয় চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কথিত সোর্সের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরধরে মামলার রসদ ঘটনাস্থলে রেখে পূর্বপরিকল্পিত সাজানো মামলায় একজন সৎ সাংবাদিককে জড়ানো হলো।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মোঃ রাশিদুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাপ্তাহিক আমাদের খুলনার চীফ রিপোর্টার হাসান আহমেদ মোল্যা, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আবুহেনা মোস্তফা জামাল পপলু, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের এএইচএম শামিমুজ্জামান, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রির্পোটার ও টিআইবি পুরস্কারপ্রাপ্ত এইচএম আলাউদ্দিন, খুলনা অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলানিউজ টোয়েন্টি ফোরডটকমের খুলনা ব্যুরো এডিটর মাহবুবুর রহমান মুন্না, খুলনা রিপোর্টারস্ ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, কেইউজে’র নির্বাহী কমিটির সদস্য বিমল সাহা, খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, এসএ টিভি’র রকিবুল ইসলাম মতি, সংহতি প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ মেহেদী হাসান, এমইউজে খুলনার সাবেক সভাপতি ড. মোঃ জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনার সমন্বয়ক এ্যাড. মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares