| | বুধবার, ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সফর, ১৪৪১ হিজরী |

বাণিজ্য-বিনিয়োগে এখনো অনেক বাধা : ইইউ রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিতঃ ৬:০২ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২৯, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে বাণিজ্য-বিনিয়োগের পরিবেশ এখনো সন্তোষজনক নয় উল্লেখ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিংক বলেছেন, এখানে (বাংলাদেশ) ব্যবসা-বাণিজ্যে এখনো অনেক বাধা। এর মধ্যে আইনি সংস্কার প্রক্রিয়ার জটিলতা, নীতির ধারাবাহিকতার অভাব ও অনিশ্চয়তা এবং তদারকি সংস্থার দুর্বলতা সবচেয়ে বড় বাধার কারণ। গতকাল রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ইইউ-বাংলাদেশ ৫ম বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপের উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ইইউ-এর রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিংক বলেন, এর আগে ৪টি সংলাপ হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৯৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক-১

তবে এসব বৈঠক তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। কারণ বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাধা। ডায়ালগের উদ্বোধনী পর্বে রেঞ্জি তেরিংক বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে আইনি সংস্কার প্রক্রিয়া এখনো জটিল। নীতি কাঠামোর অনিশ্চয়তা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল তদারকির মতো বাধাগুলো রয়ে গেছে। বাংলাদেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে তাই ২০২১ সালের মধ্যে মানসম্মত বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বানও জানান তিনি। বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিংক বলেন, বিডা ভালো করছে। যদিও বাংলাদেশে এখনো সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের চিত্র আশাব্যাঞ্জক নয়। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্ধর ও ঢাকা বিমানবন্দর প্রধান গেটওয়ে হলেও তা বিনিয়োগবান্ধব নয়। ব্যবসার পরিবেশ সৃষ্টি, তদারকি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে তা বাণিজ্যবান্ধব করা উচিত। উদ্বোধনী বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ইইউর বাজারে এখন আমরা জিএসপি সুবিধা পাই।

কিন্তু উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে আমরা এ সুবিধা পাবো না। তাই আমরা জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে চাই। ‘এ সুবিধা পাওয়ার জন্য আমাদের ২৭টি কম্পোনেন্ট পূরণ করতে হবে। এসব কম্পোনেন্ট পূর্ণ করার ক্ষেত্রে ইইউ-এর সহযোগিতাও প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতেও ইইউয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এর আগে সকাল ১১টায় সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ ডায়ালগ শুরু হয়। ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিবেশ নিয়ে ৫ম রাউন্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এতে ইইউ-এর রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিংকসহ আটটি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইইউ বিজনেস সেক্টরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল হক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্

গৌরীপুরে ৮ জুয়ারী গ্রেফতার

ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইইউভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশের রপ্তানির সবচেয়ে বড় অংশীদার।

 

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইইউ দেশগুলোতে ২১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়; যা মোট রপ্তানির প্রায় ৫৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ইইউভুক্ত দেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে ইবিএর (অস্ত্র ছাড়া বা?কি সব পণ্য) আওতায় জিএসপি সুবিধা ভোগ করছে। তবে ইইউভুক্ত দেশগুলোর যেসব কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করছে তারা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের জন্য ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে এই উদ্যোগেও তেমন লাভবান হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares