| | বুধবার, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

পটিয়ায় বঙ্গবন্ধু সড়কে পল্লী বিদ্যুতের ২৯ খুঁটি বিপদজনক

প্রকাশিতঃ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রামে পটিয়া উপজেলার আমজুরহাট থেকে জিরি ফকিরা মসজিদ পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার বঙ্গবন্ধু সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো সরানো হয়নি পল্লী বিদ্যুতের ২৯টি খুঁটি। এর মধ্যে বিপজ্জনক অবস্থায় আছে ৬টি খুঁটি। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ১১ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনে এক আইনজীবীর করা রিটের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট সড়ক ও মহাসড়কের উপরে যেসব বিদ্যুতের খুঁটি রয়ে গেছে, সেগুলো ৬০ দিনের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের শান্তিরহাট-পটিয়া সদর পর্যন্ত অনেক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। এছাড়া শান্তিরহাট থেকে পটিয়া সদরে আসা-যাওয়ায় অনেক সময় যানজট সৃষ্টি হয়। চলাচলের সুবিধার্থে পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় ২০১৬ সালের শেষের দিকে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আমজুরহাট থেকে জিরি ফকিরা মসজিদ পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কের কাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। কাজটি ২০১৮ সালের মাঝামাঝি শেষ হলে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
তবে, সড়কের কাজ শেষ হলেও মূল সড়কের মধ্যে রয়ে গেছে পল্লী বিদ্যুতের ২৯টি খুঁটি। এর মধ্যে ৬টি অত্যন্ত বিপজ্জনক।সড়কের মৌলভিহাট অংশে ১টি, বাড়ৈখাড়া ২টি, হরিণখাইন ১টি ও গোরনখাইন ২টি খুঁটি মূল সড়কের উপরে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সড়কের বেশ কয়েকটি খুঁটি সড়কের সামান্য দূরত্ব হলেও সেগুলো সড়কের উপরে এসে বাঁকা হয়ে পড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় কিংবা বাতাসে ভেঙে পড়তে পারে যেকোন সময়। ৬টি বিপজ্জনক খুুঁটি যেখানে রয়েছে, সেই অংশে রাতের বেলা যান চলাচলে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়রা খুঁটিগুলো সরানোর জোরদাবি জানিয়েছে।

কুসুমপুরা ইউপি সদস্য মোঃ ছগির বলেন, বিপজ্জনক খুঁটিগুলো না সরানোর কারণে যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। এছাড়া যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তিনি বলেন, আমজুরহাট থেকে শান্তিহরহাট থেকে দ্রুত যাওয়ার জন্য নিরাপদ হওয়ায় সড়কে যান চলাচল বেড়েছে। এছাড়া সড়কের পাশে বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। খুঁটিগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে লাগোয়া; যার কারণে সরানো অতীব জরুরি মনে করেন স্থানীয়রা। তারা এব্যাপারে পটিয়ার এমপি হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ পটিয়া উপসহকারী প্রকৌশলী সংকর নন্দী বলেন, প্রকল্পের শুরুতে সড়কের মধ্যে যেসব খুঁটি রয়েছে এগুলো সরাতে পল্লী বিদ্যুতকে ১৪ লাখ টাকা পরিশোধ করে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও তারা এখনো খুঁটিগুলো সরাতে পারেনি। আমরা বারবার বিষয়টি তাদের নজরে দিয়েছি।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিমি-১ (পটিয়া) জেনারেল ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, সম্প্রতি এলজিইডি ১৪ লাখ টাকা জমা দিয়েছে; যাহা প্রয়োজনের তুলনায় কম। তারপরও যেসব খুঁটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে সেগুলো আগে সরানো হবে। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ফেলা হবে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares