| | বৃহস্পতিবার, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

পটিয়ায় আদর্শ, রাহাত আলী ও মোহছেনা মডেলের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে

প্রকাশিতঃ ২:৪৯ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ৩০, ২০১৮

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : পটিয়া পৌর সদরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়, ১৭৩ বছরের প্রাচীণ বিদ্যাপীঠ পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও মোহছেনা মডেল প্রাইমারী স্কুলের পিছনে মাত্র ৩শ ফিট রাস্ত ভাঙ্গাচুড়ার ফলে প্রতিদিন কয়েক হাজার শিক্ষার্থীরদের চলাচলের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে রাস্তা দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীরা চলাচল করতে উষ্ট খেয়ে পানিতে পড়ে অনেকে আঘাত পেয়েছেন বলেও স্থানীয়রা জানান। ১৯৯৪ সালে পটিয়া পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান সামশুল আলম মাষ্টার বিশেষ উদ্যোগে ধানী জমির মাঝখানে স্কুল শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবির্ধার্থে চলাচলের রাস্তা করে পৌর কর্তৃপক্ষ ইট দিয়ে রাস্তাটি সংস্কার করেছিলেন। এরপর থেকে পটিয়া পৌরসভার কোন মেয়র এ রাস্তা সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ডের হাজার হাজার কোমলমতী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও জন সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে মহাসড়ক দিয়ে চলাচল থেকে বিরত রাখতে সাবেক পৌর মেয়র সামশুল আলম মাষ্টার এ রাস্তাটি করেছিলেন। বর্তমানে এ রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ভাঙ্গাচুড়া এবং খানা-খন্দকে সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কারের অতীব জরুরী মনে করেন একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল।

অভিভাবক শাহ আলম, আবদুল মালেক, মো: শওকত, মিজান, জাকারিয়া, ছৈয়দ, নাছিমা আকতার, ও পান্থ জানান, পৌর কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলেই এ ৩শ ফিট রাস্তা সংস্কার করে দিতে পারেন। তবে এব্যাপারে ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহজ¦ এম. খোরশেদ গণি জানান, সাবেক মেয়র সামশুল আলম মাষ্টার ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তাটি করেছিলেন। এ রাস্তা স্কুল কর্তৃপক্ষের বাউন্ডারির ভিতরে হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ এ রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নিচ্ছে না। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা চাইলে পৌর কর্তৃপক্ষ সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares