| | রবিবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান’র মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিতঃ ১০:৩০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৫, ২০১৯

আতিয়ার রহমান,খুলনা অফিস : খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার ৩নং ছাগলাদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এস এম দীন ইসলামকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলায় জড়ানো এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন ২৫ আগস্ট বেলা ১২টা খুলনা প্রেসক্লাবের ভিইউপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে খুলনা শহীদ হাদিস পার্ক থেকে একটি মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। সংবাদ সম্মেলন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রেরণ করেন নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সেলিম আহমেদ স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম ওহিদুজ্জামান।  এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, মহিলা ভাইস চেয়াম্যান নাজমা আইয়ুব, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেন, সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আরিফুজ্জামান অরুণ, ছাগলাদাহ ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সেলিম আহমেদ, আ’লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান উকিল উদ্দীন লস্করসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগের শতাধীক নেতৃবৃন্দসহ সকল ইউপি মেম্বরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২০ আগস্ট রাতে তেরখাদা উপজেলার ৩নং ছাগলাদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বার বার নির্বাচিত জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান এস এম দীন ইসলামকে খুলনা জেলা ডিবি পুলিশ তেরখাদার আলোচিত নাঈম হত্যা মামলায় আটক করে। তাকে আটক করায় এলাকায় প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও হত্যাকারীদের পৃষ্টপোষকরা নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, ভিকটিম পরিবার চেয়ারম্যান দীন ইসলামের সাথে রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক সকল কর্মকান্ডে এবং তার নির্বাচনী কর্মকান্ডে পিরু পরিবার রয়েছে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে। পিরু পরিবারের সাথে চেয়ারম্যানের কোন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ কশ্চিনকালেও ছিলোনা। বরং তাদের সাথে দীন ইসলামের ঘনিষ্টতা ও হৃদ্যতা রয়েছে দীর্ঘকাল ধরে। তার ছেলে খুন হওয়া এবং পিরু আহত হওয়ায় সব থেকে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন চেয়ারম্যান দীন ইসলাম। বরং প্রকৃত হত্যাকারী যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তাদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ রয়েছে। খুনী চক্র কখনো বা কোন দিন চেয়ারম্যান দীন ইসলামের লোক ছিলোনা। ছিলোনা তার রাজনৈতিক বা সামাজিক কোন কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত।

চেয়ারম্যান দীন ইসলাম আটক হওয়ার পর এই খুনীদের পৃষ্টপোষকতাকারীরা সুযোগ বুঝে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে লিপ্ত হয়েছে। এর আগেও এই চক্র এই প্রেসক্লাবে তার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে। এর কিছুদিন পর সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সম্মেলনকারীদের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি উপজেলার ইছামতি গ্রামের কাজী আবুল খায়েরের ছেলে তরিকুল ইসলাম তরুকে জেলা ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করে।

এই তরিকুল ইসলাম তরু এলাকার বিতর্কিত লোকজন ও বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মিদের নিয়ে দীন ইসলামের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও মিছিল করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে দরখাস্ত চালাচালি করছে। এর সাথে রয়েছে ছাগলাদাহ ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন। যার সাথে চেয়ারম্যান দীন ইসলামের দীর্ঘ দিনের নির্বাচনী বিরোধ রয়েছে।

দীন ইসলাম এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যহত রেখেছেন। কখনো কোন অপরাজনীতির সাথে জড়াননি তিনি। জড়াননি কোন দুর্নীতির সাথে। কারো সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার বা কাউকে কোনদিন কটু কথা পর্যন্ত বলেননি। সব সময় ইউনিয়নবাসীর উপকারে এগিয়ে গেছেন।

অথচ আজ তাকে হত্যাকান্ডে অর্থ যোগানদাতা ও হুকুমদাতা হিসেবে আসামী করা হয়েছে। যা গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না।  চেয়ারম্যান দীন ইসলামকে ওই মামলা থেকে অবিলম্বে অব্যহতি দেওয়ার প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনাসহ আরো সুষ্ঠ তদন্তের জন্য মামলাটি পিবিআইতে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়।

বান্দরবা‌নে বা‌স-মোটরসাই‌কে‌ল সংঘর্ষে পু‌লিশ কন‌স্টেবল নিহত

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares