| | সোমবার, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

হাতুড়ি-ইট দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিতঃ ৭:২৭ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৭, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক :লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় সৈয়দ আহম্মদ (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তার পরিবারের দাবি, নির্মাণাধীন মসজিদের টাকা উত্তোলন নিয়ে দিনে সৈয়দকে প্রকাশ্যে হুমকি ও রাতে হাতুড়ি-ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় বুধবার সকালে নিহতের মা রিনা বেগম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুল মালেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত সৈয়দ একই এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে।

কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র

নিহতের পরিবার জানায়, পৌরসভার শিবপুর এলাকার নতুন একটি মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে। এলাকাবাসী সৈয়দকে মসজিদ নির্মাণের টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব দেয়। সৈয়দও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

কয়েক দিন ধরে স্থানীয় আবদুল মালেকের ছেলে জাহেদ ও খালেক টাকা উত্তোলনে বাধা দেয়। কিন্তু বাধা না মানায় মঙ্গলবার সকালে জাহেদ ও খালেকের সঙ্গে সৈয়দের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ওই দিন রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মসজিদের সামনেই সৈয়দকে হাতুড়ি ও ইট দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে তারা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

নিহতের মা ও মামলার বাদী রিনা বেগম বলেন, সকালে আমার ছেলেকে আসামিরা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে। রাতে তারা পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসি চাই।

পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। হত্যার ঘটনায় আবদুল মালেক, তার ছেলে জাহেদ, খালেক ও প্রতিবেশী মো. বাহারকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার করা যায়নি।

এ ব্যাপারে রায়পুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া বলেন, নিহত ব্যক্তির মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares