| | সোমবার, ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

কুরবানি দেবেন, এ বিষয়গুলো কি ভেবে দেখেছেন?

প্রকাশিতঃ ১২:২৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৪, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক :ইসলামি শরিয়তের অন্যতম ইবাদত কুরবানি। তাই কুরবানির আগে অনেক কিছু ভেবে দেখা এবং মেনে চলা জরুরি। কেননা কুরবানির পশুর রক্ত মাংস হাড় বা চামড়া কোনো কিছু মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং কুরবানি দাতার বিশুদ্ধ নিয়ত ও বৈধ ব্যবস্থাপনাই আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়।তাই কুরবানির পশু কেনা ও কুরবানি করার আগে এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো গুরুত্বসহ ভেবে দেখা জরুরি।

আর তাহলো-গরিব ব্যক্তির কুরবানি ও করণীয়

সামর্থবানদের জন্য কুরবানি আবশ্যক। তবে গরিব লোকের কুরবানি দেয়া নিষেধ নয়। চাইলে গরিবও কুরবানি দিতে পারবে। চাইলে একাকি কুরবানি দিতে পারবে আবার অংশীদারের সঙ্গেও কুরবানি দিতে পারবে। তবে গরিব ব্যক্তি যদি কুরবানির পশু কেনার সময় একাকি কুরবানির নিয়ত করে তাহলে পরে আর শরিক নিতে পারবে না।

শিশু অধিকার রক্ষায় হচ্ছে কমিশন

তাই গরিবের ক্ষেত্রে কুরবানির পশু কেনার আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, সে একাকি কুরবানি করবে না শরিকে নেবে। পশু কেনার আগে শরিক নেয়া নিয়ত না থাকলে, পশু কেনার পরে শরিক নিতে পারবে না।

পক্ষান্তরে কোনো ধনী যদি পশু কেনার আগে শরিক নেয়ার নিয়ত না করে তবে ধনী ইচ্ছা করলে পশু কেনার পরও শরিক নিতে পারবে।

শরিক নেয়ার আগে ভেবে দেখুন

কুরবানি অনেক ফজিলতপূর্ণ মর্যাদার ইবাদত। কয়েকজন মিলে কুরবানি দিতে চাইলে ভেবে দেখুন, অংশীদারের সমন্বয়ে যারা কুরবানি দেবেন। তাদের পশু কেনার অর্থ বৈধ কিনা অবৈধ।

কোনো ব্যক্তির সব কিংবা আংশিক উপার্জনও যদি হারাম হয়, তবে ওই ব্যক্তিকে কুরবানির পশুর অংশীদার হিসেবে নিলে আর হারাম উপার্জনের অংশ দিয়ে কুরবানির পশু কিনলে অন্যদের হালাল পয়সার কেনা পশুর কুরবানিও নষ্ট হয়ে যাবে।

অংশীদার নির্বাচন

পশু কেনার আগেই অংশীদার নির্বাচন করে নিন। ওয়াজিব কুরবানি আদায়ের নিয়তে এক গরু কিংবা মহিষে ৭ জন কুরবানি দিতে পারবে। তাছাড়া এর মধ্যে যদি কেউ নফল কুরবানিও দেয় তাতেও ৭ জনের বেশি শরিক নেয়া যাবে না। তবে ছাগল, বকরি বা দুম্বায় অংশীদার নয় বরং তা একাকি কুরবানি করতে হয়

।ঋণ করে কি কুরবানি করা যায়?

শিশু অধিকার রক্ষায় হচ্ছে কমিশন

যদি কোনো ব্যক্তির উপর কুরবানি আবশ্যক হয়। আর তার পশু কেনার মতো কাছে নগদ অর্থ না থাকে তবে সে সম্পদ বিক্রি করবে। আর যদি সম্পদ বিক্রি করতেও না চায় তবে সে ঋণ করে হলেও কুরবানি করবে। যেমনিভাবে সে অন্যান্য প্রয়োজন পূরণে ঋণ করে থাকে। যা পরবর্তীতে পরিশোধ করে দেবে।

কুরবানি করার আগে উল্লেখিত বিষয়গুলোর প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেয়া জরুরি। এর ব্যতয় ঘটলে কারো কুরবানিই বৈধ হবে না।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরবানির পশু কেনার আগে কিংবা কুরবানির নির্ধারিত দিনগুলোর মধ্যে যথাযথ নিয়ম মেনে তা আদায় করার তাওফিক দান করুন। কুরবানির ঘোষিত ফজিলত, সাওয়াব ও মর্যাদা লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares