| | মঙ্গলবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

গৌরীপুরে চেয়ারম্যানের হুকুমে নারী ইউপি সদস্যকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ | জুলাই ৩১, ২০১৯

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মইলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াদুজ্জামান রিয়াদের (৩৬) হুকুমে নারী ইউপি সদস্য মুর্শিদা বেগম (৪১) কে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে এ ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে চেয়ারম্যানের চাচা লিয়াকত আলীর (৭০) নেতৃত্বে এ ঘটনাটি ঘটে।

এসময় এই নারী সদস্যকে চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রায় ১ ঘন্টা আটক করে রাখা হয়। মুর্শিদা বেগম মইলাকান্দা ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য। তিনি বড়কালিহর গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের মেয়ে।

মুর্শিদা বেগম জানান, উল্লেখিত ইউপি চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ ও অভিযোগ দায়ের করায় তিনি আমার প্রতি আগে থেকেই ক্ষুব্দ ছিলেন। ঘটনারদিন সকালে এলাকার স্যানিটেশন বিষয়ে কথা বলার জন্য তিনি কাউরাট গ্রামে চেয়ারম্যানের বাড়িতে যান।

এসময় এ নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তার প্রতি ক্ষুব্দ হন এবং উত্তেজিত হয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেন। মুর্শিদা চেয়ারম্যানের এমন অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার চাচা লিয়াকত আলীকে হুকুম দেন মারধর করার জন্য। চেয়ারম্যানের হুকুমে লিয়াকত আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে রাস্তায় প্রকাশ্যে মুর্শিদাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল ঘুষি মেরে আহত করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে, জাতীয় অন্ধ কল্যান সমিতির উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

তিনি আরো জানান, মারধরের পর মুর্শিদাকে চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রায় ১ ঘন্টা আটক করে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন এসে তাকে চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ মারধরের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াদুজ্জামান রিয়াদ ও তার চাচা লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান এই নারী ইউপি সদস্য।

এ বিষয়ে মইলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াদুজ্জামান রিয়াদ জানান, ঘটনারদিন সকালে উল্লেখিত নারী ইউপি সদস্য আমার বাড়ির সামনে এসে আমাকে গালমন্দ করছিলেন। এ নিয়ে আমার চাচার সাথে নারী ইউপি সদস্য’র বাকবিতন্ডা হয়েছে। এখানে কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরো জানান, পরে ইউপি সদস্য মুর্শিদাকে বাড়িতে বসিয়ে ঘটনাটি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করেছেন তিনি। এক্ষেত্রে তাকে বাড়িতে আটক করে রাখার অভিযোগটি মিথ্যা বলে মন্তব্য করেন এই ইউপি চেয়ারম্যান।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares