| | মঙ্গলবার, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১২ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী |

তেঁতুলিয়ায় কাচা চা-পাতা নিয়ে বিপাকে চা-চাষিরা

প্রকাশিতঃ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ | জুলাই ২০, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক; তেঁতুলিয়ার চা চাষীরা হাজারো স্বপ্ন নিয়ে লাভের আশায় চা বাগান করলেও, লাভ তো দূরে থাক লোকশান গুনছে কৃষকরা, বেশিরভাগ কারখানা কাচা সবুজ চা পাতা ক্রয় বন্ধ রেখেছে, যদিও বা দুই একটি কারখানা সচল আছে, তারা নিয়মিত পাতা ক্রয় করছে না। এতে করে কাচা চা- পাতা নিয়ে বিপাকে পরেছে চা চাষীরা ।গত ৯ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্বেলন কক্ষে সবুজ কাচা চা- পাতার মূল্য নির্ধারণ করে প্রতি কেজি ২৪ টাকা ৫০ পয়শা, কিন্তু কোম্পানিগুলো কিছুদিন নির্ধারিত মূল্যে পাতা কিনলেও পরবর্তীতে ২০ টাকা দরে পাতা কিনা শুরু করে। চাষীরা নির্ধারিত মূল্যে চেয়ে সামপ্রতি ১৯ মে উপজেলার শালবাহান রোড বাজারে দুই ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

রাজবাড়ীতে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি

পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়। পরবর্তীতে আবারো চা -চাষী ও কারখানা মালিকদের নিয়ে জেলা মূল্য নির্ধারণ কমিটি পূনরায় দাম নির্ধারণ করে ২৪ টাকা প্রতি কেজি সবুজ চা পাতা?কিন্তু কারখানাগুলো এখন কাচা চা পাতা ক্রয় করছে ১২- ১৫ টাকা দরে, সাথে আরো কর্তন করে রাখা হছে ১০ থেকে ৪০-৫০ % পর্যন্ত। এতে করে পরবর্তীতে পাতার মূল্য গড়ে সর্বোচ্চ ১০-১২ টাকা এসে পরছে ।এদিক দিয়ে প্রতি কেজি চা পাতা বাগান থেকে কাটতেই চলে যাচ্ছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে করে চাষীরা বাগান থেকে পাতা কেটে বিক্রি করে কেজি প্রতি পাচ্ছে ৬ থেকে ৮ টাকা।

সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত, নারী আহত

এতে করে লাভের জাগায় লোকশান গুনছে কৃষকরা। অনেকে পাতা বিক্রি করতে না পারায় ফেলে দিচ্ছে চা পাতা। কারখানার বাইরে কাচা চা-পাতা সহ গাড়ি অপেক্ষা করতে দেখা যায় । এদিক দিয়ে কিছু কারখানা কাচা চা পাতা কিনা বন্ধ রেখেছে, তারা বলছে অকশন মার্কেটে চা পাতা চলছে না।চা চাষি হাফিজ উদ্দিন বলেন কাচা চা পাতার বর্তমান যে অবস্থা, আমি নিজেই ৯ দিন থেকে কয়েকটি কারখানায় কাছে গিয়ে ঘুরতেছি কিন্তু এখনো কাচা পাতা দিতে পারছি না, আর কয়দিন গেলে পাতা কেটে ফেলে দিতে হবে, এভাবে চলতে থাকলে সামনে বাগান অনেকেই হয় তো ভেঙ্গে ফেলতে বাধ্য হবে।

একাধিক পদে চাকরি দিচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড

ফ্যাক্টরীর মালিকরা পাতা কিনছেন না, কিনলেও টাকা ছাড়া ৫০-৬০% কমিশনে ১২-১৫ টাকা কেজি নিচ্ছে। এই করুন পরিস্থিতি থেকে বাচতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি, তা না হলে পঞ্চগড়ের চা শিল্পকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পরবে?চা কারখানা গুলো এ ব্যাপারে অকশন মার্কেটের দরপতনকেও দায়ী করেন। অকশন মার্কেটে বাজারের স্বাভাবিক গতি না থাকায় চাষিদের পাশাপাশি কারখানা মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মনে করেন কারখানা মালিকরা।

ঘরে ঢুকে ৩ জনকে কুপিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ ডাকাতি

তারা বলছে অকশন মার্কেটে স্বাভাবিক গতি না থাকায় চায়ের মজুদ বেড়ে গেছে কারখানাগুলোতে, তাই তারা কাচা চা পাতা কিনা বন্ধ রেখেছে। এতে করে কৃষকরা কাচা পাতা বিক্রয় করতে না পেরে অনেকেই পাতা ফেলেও দিচ্ছেন।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares