| | বৃহস্পতিবার, ৭ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

নদী বাঁচাতে উৎসমুখ খুলে দেয়ার দাবি

প্রকাশিতঃ ৭:১৫ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৮, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক :কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ, মাগুরা এবং চুয়াডাঙ্গা অঞ্চল নিয়ে চালু হওয়া জিকে সেচ প্রকল্পর অধীনে ৮ নদীর উৎসমুখ বন্ধ রয়েছে কয়েক যুগ থেকে। এসব উৎসমুখ খুলে দিয়ে সাইফুন পদ্ধতিতে দ্বৈত প্রবাহ চালুর মাধ্যমে নদী বাঁচানোর দাবি জানিয়েছেন রিভারাইন পিপলের নেতারা।বুধবার দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রেস কর্ণারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

গাইবান্ধায় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বন্যা, ৫ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

ইবি বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও রিভাইরাইন পিপলের ইবি শাখার আহ্বায়ক অধ্যাপক রবিউল হোসেনের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় পরিচালক ও ইবির সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও অর্থনীতি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ, সদস্য তৌহিদুল ইসলাম, ওবাইদুল হক, কুমার নদ রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ মারুফ, প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ, সহ-সভাপতি আসিফ খান, যুগ্ম-সম্পাদক সরকার মাসুমসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সদস্যরা।

ধর্ষণের পর চাকরি দিতে না পেরে বিয়ের আশ্বাস

লিখিত বক্তব্যে আলতাফ হোসেন রাসেল বলেন, ‘কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ, মাগুরা এবং চুয়াডাঙ্গা অঞ্চল নিয়ে ৫০ এর দশকে জিকে সেচ প্রকল্প শুরু হয়। তখন ফারাক্কা বাঁধ ছিল না। পরবর্তীতে ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় এই প্রকল্প এখন মৃত প্রায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় এ অঞ্চলের ৮ নদীর প্রবাহমুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে এ অঞ্চল।’

তিনি বলেন, ‘জিকে প্রকল্পে অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা লাভবান হলেও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এসব নদীর উৎস মুখ খুলে দিয়ে দখলমুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাইফুন পদ্ধদিতে নদীতে বাঁধের বদলে দ্বৈত প্রবাহ পদ্ধতি চালুর আহ্বান জানান তিনি। এতে নদী ও জিকে পদ্ধতি উভয়ই বাঁচবে।’

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares