| | সোমবার, ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী |

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগে মার্কিন কূটনীতিক পাড়ায় আতঙ্ক!

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১১, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করে পাঠানো ই-মেইল ফাঁস হওয়াকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ডারখ। এ ঘটনা দেশটিতে নিয়োজিত অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।বুধবার পদত্যাগ করেন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডারখ। এ ঘটনায় সম্ভাব্য টরি নেতা বরিস জনসনের সমর্থন না পাওয়ায় শেষমেশ দায়িত্ব ছেড়ে দেন তিনি।

এনডিটিভি জানায়, এ পদত্যাগের ঘটনা মার্কিন কূটনৈতিক পাড়ার ঘরোয়া আড্ডায় নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন থেকে ট্রাম্প প্রশাসন নিয়ে সমালোচনায় আরও সংযত ও সতর্ক হওয়ার প্রতি জোর দেন তারা।সম্প্রতি স্যার কিমের বেশ কিছু স্পর্শকাতর ই-মেইল ফাঁস হয়েছে মেইল অন সানডে পত্রিকায়। এরপর রাষ্ট্রদূতের সমালোচনা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে বলেন, “আমরা আর তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখব না।”

এসব ইমেইলে হোয়াইট হাউসকে ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যতিক্রমী অকার্যকর’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।রাষ্ট্রদূত ‘যুক্তরাজ্যকে ভালোভাবে সেবা দিতে পারেননি’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তাকে ‘আত্ম-অহংকারী ও বোকা’ বলেও সম্বোধন করেন তিনি।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের ঘনিষ্ঠ ও শক্তিশালী বন্ধু অন্যান্য রাষ্ট্রদূতেরা চেষ্টা করেছিলেন তার ওপর থেকে ট্রাম্পের ক্ষোভ নিরসনের জন্য। যদিও তাদের অনেকেই ট্রাম্প প্রশাসন নিয়ে একই ধরনের সমালোচনা নিজ নিজ দেশে পাঠিয়েছেন, এমন অভিযোগ আছে।

 

ধর্ষণে জড়িতদের জামিন না দেয়ার অনুরোধ আইনমন্ত্রীর

তাদেরই একজন ইউরোপের একটি দেশের রাষ্ট্রদূত বলেন, “কিমের সঙ্গে যা ঘটেছে এতে আমরা মর্মাহত।”নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ কূটনীতিক বলেন, “নিজ সরকারের কাছে কিছু ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে আমাদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে। একইভাবে আমাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও।”

ওয়াশিংটনের কূটনীতিকরা অধিক মার্জিত ও সশ্রদ্ধ থেকে নিজ নিজ দেশে গোপন বার্তা ও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাঠিয়ে থাকেন। তার মধ্যে একজনের পাঠানো বার্তা প্রকাশ হয়ে পড়ায় এই কাজ এখন আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে ধারণা কূটনীতিকদের।

ব্রিটিশ ডিপ্লোম্যাট সার্ভিসের প্রধান সিমন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “আমাদের পেশা এখন অনেকটাই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেছে, এমনটা মনে হচ্ছে।”

বিশ্বজুড়ে বিদেশি সরকারগুলোর ত্রুটি এবং বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা কূটনীতিকদের কাজের একটি রীতি হিসেবে দেখা হয়।

ফলে অনেক কূটনীতিকের মতো এশিয়ার এক রাষ্ট্রদূত ধারণা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করলেও স্যার কিমকে নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে না। যদিও শেষমেশ স্যার কিমকে পদত্যাগ করতে হল।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares