| | মঙ্গলবার, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

ভালুকায় বন্ধুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ডাকাত নিহত

প্রকাশিতঃ ১:১৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৯, ২০১৯

ভালুকা (ময়মনসিংহ) থেকে তমাল কান্তি সরকার- ময়মনসিংহের ভালুকায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল নামের এক ডাকাত উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের হাতিবেড় গ্রামে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানার ওসি (অপারেশন)আবুল কালাম আজাদসহ ৪পলিশ আহত হয়েছেন। সাইফুল উপজেলার কৈয়াদী গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, উপজেলার হাতিবেড় গ্রামে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। গুলা গুলির এক পর্যায়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলি বৃদ্ধ আহত অবস্থায় সাইফুল ডাকাতকে পরে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশ) আবুল কালাম আজাদ, এস আই ইকবাল হাসান, এ এস আই ইউসুফ, কনস্টেবল মেহদী মাসুদ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, গুলি ও দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইফুলের লাশ ময়মনসিংহ মডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রয়েছে।

নড়াইলে মোটরসাইকেল চোর চক্রের হোতাসহ দুই সদস্য গ্রেফতার

এ ঘটনায় ২ দুটি মামলার প্রস্ততি চলছে। সাইফুল ডাকাতের বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতি ও ধর্ষণ সহ একধিক মামলা রয়েছে।
প্রসঙ্গ, ভালুকা উপজেলার সোনা উল¬্যাহ স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী উপজেলা কৈয়াদী গ্রামের হাবিবুর রহমানের কিশোরী মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও ইয়ার মাহমুদের ছেলে রমজান আলী (৩০), গত ১৬ জুন স্কুলে যাওয়ার পথে জোরপূর্বক রাস্তার পাশে জঙ্গলে নিয়ে গলায় চাকু ধরে ও এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে দুই জনে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ।

পরবর্তীতে ২৪ জুন ওই ছাত্রী পরীক্ষা দেয়ার জন্য স্কুলে যাওয়ার পথে পূর্বের ধর্ষণের ভিডিও ফেইসবুকে ও ইন্টারনেট ছেড়ে দেয়ার হুমকী দিয়ে পূনঃরায় ধর্ষণ করার জন্য চেষ্টা করলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা (নম্বর-৬২) হয়েছে। ধর্ষকদ্বয়কে গ্রেফতারের দাবীতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকবাসীরা দফায় দফায় মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে।

পরে ধর্ষণ মামলার ওই দুই আসামিকে ধরিয়ে দিতে গত রোববার ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেন স্থানীয় সাংসদ কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুর স্ত্রী ও সোনা উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেসমিন এরশাদ পুতুল।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares