| | শুক্রবার, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী |

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিতঃ ১১:২০ পূর্বাহ্ণ | জুন ২৬, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী বুধবার। ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের কাছে জাহানারা ইমাম দেশপ্রেম, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক অনন্য প্রেরণার উৎস হিসেবে আজও অবিস্মরণীয়।১৯২৯ সালের ৩ মে মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম জুড়ূ। জাহানারা ইমামের বাবা সৈয়দ আবদুল আলী ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। মা সৈয়দা হামিদা বেগম। ১৯৪২ সালে জাহানারা ইমাম ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৪৪ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে আইএ পাস করে ১৯৪৫ সালে ভর্তি হন কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে। এখান থেকে বিএ পাস করেন ১৯৪৭ সালে। ১৯৬০ সালে বিএড ডিগ্রি অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৬৪ সালে। সেখান থেকে ফিরে ১৯৬৫ সালে বাংলায় এমএ পাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

নড়াইলে ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক

ময়মনসিংহে বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। এর পর তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বুলবুল একাডেমি কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে শিক্ষকতা করেন। তিনি কিছু দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটেও খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন।একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার ছেলে রুমী শহীদ হন, স্বামী শরিফ ইমামও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসুস্থ হয়ে বিনা চিকিৎসায় মারা যান। বিজয় লাভের পর রুমীর বন্ধুরা জাহানারা ইমামকে সকল মুক্তিযোদ্ধার মা হিসেবে বরণ করে নেন। এক সন্তান হারিয়ে সারাদেশের সব মুক্তিযোদ্ধার জননী হয়ে উঠেছিলেন তিনি। জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গোলাম আযম এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসে ঐতিহাসিক ‘গণআদালত’। এতে শহীদ জননীর সভাপতিত্বে লাখ লাখ বিচারপ্রার্থীর উপস্থিতিতে ঘাতকদের হোতা গোলাম আযমের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।জাহানারা ইমামের লেখা ‘একাত্তরের দিনগুলি’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দলিল।

দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বাড়ছে ৫ বছর

দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ তাঁকে স্মরণ করবে। তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সংগঠন ‘একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি’ আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক বক্তৃতা ও পদক বিতরণের আয়োজন করেছে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares