| |

মুরগি খামারে অবৈধ বৈদ্যতিক ফাঁদ, অবাধে মরছে বন্যপ্রাণী

প্রকাশিতঃ 10:59 pm | June 12, 2019

ফয়সাল আজম অপু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে : চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুরগি খামারগুলোতে অবৈধ বৈদ্যতিক ফাঁদে পড়ে মারা যাচ্ছে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী এমনকি মানুস বা পোষা গরু বা ছাগল। এসব অবৈধ বৈদ্যতিক ফাঁদ ব্যবহারের কোন অনুমোদন না থাকলেও, তা প্রত্যেক খামারে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানা হচ্ছেনা কোন নীতিমালা। ধ্বংস হচ্ছে বন্যপ্রাণী, ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। যদিও দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন আছে কিন্তু কোনও ক্ষেত্রে তা মানা বা প্রয়োগ হচ্ছেনা।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মোট ৪৮টি বিধি এবং ৪৯ টি ধারা আর বহু উপধারা রয়েছে। দেশীয় বেশিরভাগ বন্যপ্রাণী ধরা, মারা, শিকার বা আহত করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এ আইনে। আইন অমান্য করলে ৫শত থেকে ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৬ মাস থেকে ২ বছর কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। কিছু কিছু বন্যপ্রাণী শিকারযোগ্য করা হলেও তার অনুমোদন নিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হতে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গঙ্গাস্নান দশহরা মেলা অনুষ্ঠিত

সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের অবস্থিত এক খামারের বৈদ্যতিক ফাঁদে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৩ জুন মহাডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত আমিনুলের মুরগি খামারে বৈদ্যতিক ফাঁদে জড়িয়ে একটি গরুর মৃত্যু হলে এলাকাবাসী খামার ঘেরাও করে বিক্ষোভ করতে থাকে।এই প্রেক্ষিতে মহাডাঙ্গা গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি মফিজুল ইসলাম (কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারে চাকুরি করেন) ৫০ হাজার টাকায় আপোষরফা করে দেন এবং এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে আগামী ১ বছরের মধ্যে খামার উঠিয়ে নিতে বলেন।

আমিনুলের খামারে কর্মরত এক মহিলা জানান, বৈদ্যতিক ফাঁদে প্রতিদিন গুঁইসাপ, বেজী, বিভিন্ন জাতের সাপ, শৃগাল, গিরগিটিসহ বিভিন্ন পোকা-মাকড় মারা পড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, খামারটি গ্রামের মধ্যে হওয়ায়, তাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। মুরগি খামারের মালিক আমিনুল ইসলাম গ্রামের যত্র-তত্র মরা মুরগি ফেলার কারণে দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। মুরগির বিষ্টার বস্তা রাস্তার ধারে ২/৪ দিন ফেলে রাখার কারণে দুর্গন্ধে চলাচল করতে অসুবিধা হয়।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares