| | মঙ্গলবার, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

ট্রাম্পের ১১৭ কোটি ডলারের কর ফাঁকি!

প্রকাশিতঃ ৮:১৬ অপরাহ্ণ | মে ১০, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্যবসায়ে ক্ষতি দেখিয়ে কারসাজির মাধ্যমে ১১৭ কোটি ডলারের কর ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি দেশটির সংবাদমাধ্যম দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসে’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়, ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে ব্যবসায় ক্ষতি দেখিয়ে বিশাল পরিমাণ এ কর ফাঁকি দেন ট্রাম্প। মূলত ক্যাসিনো, হোটেল এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় তার এই বিপুল ক্ষতি দেখানো হয়েছিল। আর এই ক্ষতির অঙ্ক দেখিয়ে কর মওকুফের সুযোগ নিয়েছিলেন তিনি।এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, ৮০-৯০ এর দশকে এই রকম বিপুল পরিমাণ ক্ষতির জেরে অনেক ব্যবসায়ীই কর মওকুফের সুযোগ পেয়েছিলেন। এটি অত্যন্ত পুরনো তথ্য, যা ভুলভাবে দেখানো হচ্ছে।

রাজধানীর খিলক্ষেতে ২৩ রোহিঙ্গা আটক

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামার আগে নিজেকে ধনকুবের ব্যবসায়ী বলে দাবি করে নজর কেড়েছিলেন ট্রাম্প। পিতার রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে ৪১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের সম্পদ বছর তিনেক বয়স থেকেই ট্রাম্পের কাছে চলে এসেছিল বলে জানিয়েছিল ওই দৈনিকটি।  কিন্তু নিজের আয়কর দেয়ার রেকর্ড কখনোই প্রকাশ্যে আনেননি প্রেসিডেন্ট। মার্কিন কংগ্রেসের তরফে বহু বার সে দাবি উঠলেও ট্রাম্প সচেতনভাবেই এ ব্যাপারে এক পাও এগোননি। সোমবারই ‘হাউস ওয়েজ অ্যান্ড মিনস কমিটি’ গেল ছয় বছরে ট্রাম্পের দেয়া আয়কর রেকর্ড জানতে চেয়েছিল। সংশ্লিষ্ট দৈনিকটির কাছে ওই সময়কার কর দেয়ার কোন রেকর্ড নেই। মার্কিন করসচিব জানিয়েছেন, সেই তথ্য দেয়া যাবে না।

তানিয়ার ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

শুধু ১৯৯০ থেকে ’৯১ সালের মধ্যে ট্রাম্পের মূল ব্যবসায় প্রতি বছরে ক্ষতির পরিমাণ ২৫ কোটি ডলারেরও বেশি বলে জানিয়েছে দৈনিকটি। এত ক্ষতি হয়েছিল বলেই এরপর থেকে প্রায় আট-দশ বছর আয়কর দিতে হয়নি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে- দাবি ওই দৈনিকের। অতীতে এ দৈনিকটি দাবি করেছিল, ৯০-এর দশকে ট্রাম্প তার বাবা-মাকেও আয়কর এড়িয়ে যাওয়ার পথ খুঁজতে সাহায্য করেছিলেন। আর সেটা পুরোপুরি জালিয়াতির পথেই ঘটেছিল। তবে ট্রাম্পের আয়কর দেয়ার নিজস্ব রেকর্ড দৈনিকটির হাতে আসেনি। কর সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি যোগাযোগ রয়েছে, এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে দৈনিকটি তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রকাশ্যে থাকা তথ্য ভাণ্ডার থেকে রোজগারের হিসেবে শীর্ষে থাকা ব্যক্তিদের আয়ের নথি সংগ্রহ করে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছে দৈনিকটি। উল্লেখ্য, প্রকাশ্য তথ্য ভাণ্ডারে শীর্ষ উপার্জনকারীদের আয় সংক্রান্ত অঙ্কই পাওয়া গিয়েছিল, কোনো ব্যক্তি বিশেষের নাম নয়।

শনিবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী

তবে প্রেসিডেন্টের আইনজীবী চার্লস জে হার্ডার গেল শনিবার ওই দৈনিককে জানিয়েছিলেন, তারা কর সংক্রান্ত যে তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভয়ঙ্কর সব ভুলে ভরা।তবে ঠিক কোথায় কোথায় ভুল, তা অবশ্য তখন খোলসা করেননি হার্ডার, জানিয়েছে দৈনিকটি। সোমবার হার্ডার বলেন, ই-ফাইলিং শুরু হওয়ার আগের দিনগুলোতে ‘ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস’ সংক্রান্ত লেনদেনের অসংখ্য ভুল তথ্য পৌঁছেছে দৈনিকটির হাতে।

সূত্র: সিএনএন ও আনন্দ বাজার

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares