| | সোমবার, ১লা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী |

ভিকারুননিসায় কমেছে জিপিএ ফাইভ

প্রকাশিতঃ ৫:০২ অপরাহ্ণ | মে ০৬, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক: এবার রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ আগের তুলনায় কমেছে। তবে এ অবস্থাকে একেবারে খারাপ নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্কুলের প্রধান অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগম।সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এতে স্কুলটি থেকে ১ হাজার ৮২৬ জন পরীক্ষার্থী  অংশ নেয়। এদের মধ্যে পাস করেছে এক হাজার ৮২৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৪ ভাগ।বাকী তিন জন ফেল করেছে। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ পেয়েছে ১ হাজার ৪৮২ জন। যা গত বছরের তুলনায় কম।

রাজধানীর দ্বিতীয় স্থানে রাজউক উত্তরা

গত বছর ভিকারুননিসায় পাসের হার ছিল ৯৯ দশমিক ৮৮ ভাগ। অর্থাৎ পাস করেছিল ১ হাজার ৬১২ জন। জিপিএ ফাইভ ছিল এক হাজার ৪৮২ জন। এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট এক হাজার ৪৮২ জনের মধ্যে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১ হাজার ৪৪৪ জন। ব্যবসা বাণিজ্যে ১২৭ জনে ৩০ জন আর মানবিকে ১৩ জনের মধ্যে ৮ জন জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।প্রধান অধ্যক্ষ বলেন, রেজাল্ট ভাল। একেবারে খারাপ না। গত বছরের তুলনায় রেজাল্ট খারাপ হলেও সারাদেশের ফলাফলের তুলনায় আমাদের রেজাল্ট ভাল। নানা কারণে এমন হতেই পারে। আমরা আশাবাদী। আগামীবার আমরা আরো ভাল করবো আশা করি।

বরিশালে এবারও মেয়েরা এগিয়ে

সাবিরা তাসনিয়া নামে এক শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে ইচ্ছুক। রেজাল্ট প্রসঙ্গে বলেন, এত কঠিন প্রশ্নের মধ্যে ভাল রেজাল্ট অনেক কঠিন কাজ।  আমার জন্য মা- বাবা, শিক্ষকরা অনেক পরিশ্রম করেছেন।  তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।একইভাবে ফলাফল পেয়ে সন্তুষ্টির কথা জানালেন তাহসিন মোস্তাফিজ নামে অপর এক শিক্ষার্থী। তার মা মিতু রহমান বলেন, দুর্মূল্যের বাজারে এমন রেজাল্ট খুব ভাগ্যের ব্যাপার।  আমরা খুব ভয়ে ছিলাম। প্রশ্ন অনেক কঠিন হয়েছিল। ধরে নিয়েছিলাম জিপিএ ফাইভ পাবে না। কিন্তু আল্লাহ উপর ভরসা ছিল। তিনি আমাদের নিরাশ করেননি।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে শতভাগ জিপিএ ৫

কানিজ ফাতেমা এক শিক্ষার্থী বলেন, কঠিন প্রশ্নের পর ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত রেজাল্ট দেখে ভাল লাগছে। কানিজের স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ার হবেন। দুই বোনের মধ্যে বড় বোন প্রমি বলেন, আমাকে শুধু মা-বাবা শিক্ষক নয়, আমার বোনও অনেক সহযোগিতা করেছে। প্রমির মা ফাতেমা আক্তার বলেন, অনেক-অনেক খুশি আমরা। বড় মেয়ের রেজাল্ট নিয়ে আমরা গর্বিত। বাচ্চাদের পেছনে যে পরিশ্রম আমরা করি, মেয়ে আজ সেই পরিশ্রমের মূল্য দিয়েছে।আয়মান আলম অপর একজন বলেন, আজ জিপিএ ফাইভ পেয়েছি। তবে বাংলায় শুধু ৫ এসেছে। একটুও মন খারাপ হয়নি। ভবিষ্যতে আরো ভালো করবো বলে আশা করি।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares