| |

নদীতে পবিত্র ফুল ভাসিয়ে ফুলবিঝু উৎসবে মাতোয়ারা পাহাড়ি তরুণ-তরুনী

প্রকাশিতঃ 2:03 pm | April 12, 2019

আব্দুর রহিম, জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি : ঐতিহ্যবাহী পোশাকে বর্ণিল সাজে দলবেঁধে ছুটছেন চাকমা সম্প্রদায়ের তরুন-তরুনী থেকে শুরু করে নানাবয়সী মানুষ। গন্তব্য চেঙ্গী, মাইনী আর ফেনী নদী। গঙ্গাদেবীর উদ্দ্যেশ্যে নদীতে ফুল ভাসাবে মানুষের মঙ্গল কামনায়। উপচেপড়া ভিড় ছিল অন্যান্য সম্প্রদায়ের দর্শনাথীদেরও।

পাহাড়ে নববর্ষের একদিন বাকী থাকতেই শুক্রবার গঙ্গাদেবীর উদ্দ্যেশ্যে ফুল ভাসানোর মাধ্যমেই ‘ফুলবিঝু’র মধ্য দিয়ে পাহাড়ে বৈসাবী উৎসবের মুল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।সকল সম্প্রদায়ের সুখ, শান্তি আর মঙ্গল কামনায় চেঙ্গী নদীর বুকে ভক্তি-শ্রদ্ধায় কলাপাতায় গঙ্গাদেবীর উদ্দ্যেশে ফুল ভাসিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে চাকমা সম্প্রদায়ের সামাজিক উৎসব ‘ফুলবিঝু’ পালিত হয়েছে।

বৈসাবী উৎসবের দ্বিতীয় দিনে ১৩ এপ্রিল ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর হারি বৈসু পালিত হবে। এদিন ঘরে ঘরে রান্না হবে বিশেষ পাঁচন। আর মন্দিরে মন্দিরে চলবে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন ১৪ এপ্রিল পালিত হবে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব। মারমা সম্প্রদায়ের লোকজন মেতে উঠবে ওয়াটার জলকেলী উৎসবে। সকল দুঃখ, পাপ, তাপ, কালিমা ধুয়ে-মুছে দিতে একে অপরের দিকে পানি ছুড়বেন। আর তরুন-তরুনীরা ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাবে প্রিয় মানুষের গায়ে পানি ছিটিয়ে।

এছাড়াও বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করবে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন। অনুরূপ বিভিন্ন উপজেলাতে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসু, চাকমা সম্প্রদায়ের বিঝু আর মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই এ তিনের আদ্যক্ষর নিয়ে পালিত হচ্ছে পাহাড়ের অন্যতম সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’। বৈসাবি উৎসবকে ঘিরে শহর ছাড়িয়ে দুর্গম পাহাড়ী পল্লীতে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares