| | শনিবার, ৩০শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

চিতলমারীতে বিদ্যালয় ভবন বাঁচাতে মানববন্ধন

প্রকাশিতঃ ৪:২০ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১১, ২০১৯

বিভাষ দাস,চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় খাল খনন কাজে ভাঙনের সম্মুখিন হওয়া নবনির্মিত ব্যায়বহুল ভবন রক্ষা করতে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে। প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত খড়িয়া-আড়–লিয়া মাধ্যমিক বহুমুখি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এই ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই অবস্থায় বিপাকে পড়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তাদের খনন কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবপ্রসাদ দাস জানান, স্কেভটর মেশিন দিয়ে খাল খনন করায় ভবনটি ভাঙনের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় খাল খনন অব্যাহত রাখলে ভবনটি যে কোন সময়ে ধ্বসে পড়তে পারে। কিন্তু এ বিদ্যালয়টি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।

চিতলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সোহাগ ঘোষ জানান, ম্যানুয়ালী শ্রমিক দিয়ে ঝুঁকির সৃষ্টির হতো না। প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যমানের ভবনটি মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’
রনজিত কুমার রায় বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গার প্রায় ২৬ শতক জায়গায় জোর করে খাল খনন হয়েছে। ঠিকাদারের লোকেরা কোন বাধা মানেনি। শিক্ষার্থীরা তাই মিছিল, মানববন্ধন করে।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির জানান, তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্য খাল খনন হচ্ছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা।

স্থানীয় বাসিন্দা সুভাষ মৃধা জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর পর খাল খনন হচ্ছে। এই কাজকে ঘিরে কিছু লোক নানাভাবে ‘ঘোলা জলে মাছ শিকার’র চেষ্টা করছে। তবে বিদ্যালয়ের ভবনটি যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। মেসার্স আমিন এন্ড কোং-এর মাঠ পর্যায়ের ব্যবস্থাপক কৃষ্ণপদ গাইন জানান, এই খালের মুখ ৩৫-৫৬ ফুট এবং নিচেয় ২০ ফুট হবে।

চিতলমারী সদর ইউনিয়নের আড়–লিয়া হরিখাল থেকে পূর্বদিকে কাটাখালী-বরইভিটা এলাকা পর্যন্ত কাজে প্রায় ৯৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান জানান, ‘বিদ্যালয়ের পাশের খালপাড়ে যাতায়াতের রাস্তার অংশে ধ্বস নেমেছে। ওই স্থানে পাইলিং করে দেয়ার জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।

মেসার্স আমিন এন্ড কোং-এর ঠিকাদার মোঃ বেলাল হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার ও প্রকৌশলীর নির্ধারিত সীমানায় খাল কাটা হচ্ছে। তবে মেশিনে খাল কাটতে গিয়ে দুই-চার ফুট বাড়তে কমতে পারে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares