| | শুক্রবার, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী |

চিতলমারীতে ‘ফাতেমা ধান’এ সাফল্য

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৯, ২০১৯

বিভাষ দাস, চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : ‘ফাতেমা ধান’এ মেতে উঠেছে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা। চিতলমারী উপজেলার রায়গ্রামের সুব্রত বাগচী তাঁর ১৭ বিঘা জমিতে ব্যতিক্রম এই ধান চাষ করেছেন। তার জমিতে বাম্পার ফলন ফলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এলাকাবাসী জানায়, নয়নাভিরাম এই ধান ক্ষেত দেখার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা হতে মানুষেরা ছুটে আসছেন। রায়গ্রামের সুব্রত, দেবব্রত ও সুমন বাগচী এই তিন ভাই মিলে চিতলমারী এলাকায় নতুন এই ধানের চাষ করেছেন। সুব্রত পেশায় শিক্ষক, দেবব্রত কৃষক ও সুমন বাগচী ফকিরহাট উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে চাকুরী করেন।

চিতলমারী সদর ইউনিয়নের রায়গ্রামের জ্যোতিন্দ্রনাথ বাগচীর ছেলে সুব্রত বাগচী জানান, ফাতেমা বেগমের কাছ থেকে প্রতিকেজি ছয়শ’ টাকা দরে ১০ কেজি ধানবীজ তিনি সংগ্রহ করেন। সেই ধান ১৭ বিঘা (৫২ শতকে বিঘা) জমিতে রোপন করেন। অল্প বীজে অধিক জমি রোপন করতে পেরে তিনি খুশি। এই ধানের খড় অত্যন্ত শক্ত হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টিতে কোন ক্ষতি হয়নি। এছাড়া তার জমির মাটিতে লবনাক্ততা আছে। এই ধান লবনাক্ত পরিবেশ মোকাবেলা করে ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছে।

অপরদিকে সুমন বাগচী জানান, বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম এই ধান চাষ করে গত বছর ব্যাপক ফলন পায়। বিষয়টি আলোচনার ঝড় তোলে। তাই দেখে আমরা এই ধানের প্রতি আকৃষ্ট হই। পরে বীজ সংগ্রহ করে চাষাবাদ শুরু করি। এই ধান এলাকার সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার বলে তিনি দাবী করেন।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার এ বিষয়ে বলেন, ‘গত বছর আবিষ্কৃত হয় এই ধান। এই ধান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সহ সংশ্লিষ্টরা গবেষণা করছে। তাদের গবেষণার ফলাফল পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares