| | মঙ্গলবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

পটিয়ায় অবৈধ রিফুয়েলিং গ্যাস বিক্রির দায়ে জরিমানা

প্রকাশিতঃ ১০:১৮ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন অমান্য করে উপজেলা জুড়ে হাজার খানেক দোকানে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা জমজমাট ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে একটি সিন্ডিকেট।

আর এ সিন্ডিকেটটি নিয়ন্ত্রণ করছেন চন্দনাইশ উপজেলার কয়েক ব্যক্তি মিলে পটিয়ার কয়েকজন কতিপয় সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিয়ে এব্যবসায় চালিয়ে গেলেও নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। কিন্তু গত বুধবার গোপনে সে সংবাদ পেয়ে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন বিভিন্ন জায়গায়।  তিনি কাগজপত্র ছাড়া কারখানা স্থাপন করে সিলিন্ডারে গ্যাস রিফুয়েলিং করে বিক্রয় করার দায়ে আরফাতুল ইসলাম নামে এক কারখানা মালিককে অভিযুক্ত করে ১মাসের জেল ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করে।

এসময় ওই ফিলিং স্টেশন থেকে ১২ কেজি, ৩৫ কেজি এবং ৪৫ কেজি ওজনের প্রায় ৩ শত খালি ও ভর্তি সিলিন্ডার এবং বাজারজাতের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপসহ ৩ জনকে আঁটক করা হয়। কারখানা মালিক আরফাতুল ইসলাম চন্দনাইশ উপজেলার হাজির পাড়া এলাকার শাহাবুদ্দীনের পুত্র। তার সহকর্মী আবদুর রহিম (২২), মোহাম্মদ করিম (৩৫) ও মোহাম্মদ সালেহ (২২) কে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে ওই গ্যাস ফিলিং স্টেশনের মালিক আরাফাতুল ইসলাম শিপু ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাজির হয়। কিন্তু বৈধ কোন কাগজপত্র দিতে না পারায় ও বিপজ্জনকভাবে রিফুয়েলিং করার অপরাধে তাকে আটক এবং জেল জরিমানা করে। এরপর আদালত অন্য ৩ জনকে ছেড়ে দেয়।

ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হাবিবুল হাসান বলেন, ওই রিফুয়েলিং স্টেশনের কোন ধরণের অনুমতি নেই। তারা ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজটি করছিল। এতে প্রাণহানীর সম্ভাবনা এবং প্রতারণা দুটোই রয়েছে। অনেকগুলি সিলিন্ডার বিপদজনক। তাছাড়া এক বোতল থেকে অন্য বোতলে গ্যাস ভর্তি করার সময় সেখানে গ্যাসের পরিমাণও কম দিয়ে থাকে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় ওই স্টেশনে ১১টি কোম্পানির খালি ও ভর্তি প্রায় ৩শত সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এসব সিলিন্ডারের মধ্যে ছিল বসুন্ধরা, বিন হাবিব, সুপার, জি গ্যাস, টোাঁল, র্পোঁম্যান, নাভানা, ওমেরা, বিএসবি, বিএম, এসএল কর্ণফুলী নামের কোম্পানির গ্যাস। স্থানীয়রা জানান, এখানে গ্যাস ফিলিং করা হয় বিষয়টি এলাকার লোকজন জানে না। তবে সব সময় গ্যাসের গন্ধ নাকে আসতো এবং কয়েকটি গাড়িতে করে গ্যাসের বোতল আনা নেওয়া করা হতো।

বিষয়টি জেনে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বর্তমান সময়ে সারা বাংলাদেশে অবৈধ ব্যবহারে ঢাকাসহ সারা দেশে দেড় শতাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে সূত্রে প্রকাশ। পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ অবৈধ মেয়াদ উত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানান।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares