| |

যশোরে ছুরিকাঘাতে যুবক হত্যার ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা- গ্রেফতার ৪

প্রকাশিতঃ 10:12 pm | February 10, 2019

যশোর জেলা প্রতিনিধি : যশোর সদর উপজেলার শেখহাটি জামরুল তলা জোড়া পুকুর পাড়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবক আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩২) নিহত ও আরিফ (২৫) আহতর ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় আট জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছন নিহত মামুনের মাতা বকুল খাতুন।
তিনি যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মৃত আব্দুর রবের স্ত্রী। হত্যাকান্ডের পর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনার পর থেকে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হত্যার কান্ডের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে, যশোর শহরের আব্দুস সবুর খোকার ছেলে সুজন ওরফে ছোট সুজন (১৬), সদর উপজেলার শেখহাটি খাঁপাড়ার তাজু শেখের ছেলে তামিম রেজা (১৮), শেখহাটি জামরুলতলা আদর্শ পাড়ার জোড়া পুকুর পাড়ের রেজাউলের ছেলে ফয়সাল ( ২৪) ও হারুন শেখের ছেলে সুমন (১৬)।
গ্রেফতারকৃতদের পুলিশ হত্যাকান্ডের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হত্যাকান্ডের মোটিভ উদঘাটন করেছে। এদিকে রোববার বিকেলে যশোরের পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে হত্যাকান্ডের কারণসহ জড়িতদের ব্যাপারে নানা তথ্য দেওয়া হয়। প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে যশোরের পুলিশের জেলা বিশেষ শাখায় কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল গোলাম রব্বানী শেখ ও কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, শনিবার বিকেল ৫ টা বেজে ১৭ মিনিটের সময় সদর উপজেলার শেখহাটি জামরুল তলা তারা মসজিদ জোড়া পুকুর পাড়ে স্থানীয় এলাকার সাগর,ফয়সাল,ইমন,মঞ্জিল,সুমন,সুজন ওরফে ছোট সুজন, হৃদয় ও খানজাহান জনৈক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও কাজী পাড়া আমতলার ফজলু খলিফার ছেলে আরিফকে ধারালো চাকু ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে কুপিয়ে জখম করেছে। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আনার পর মামুনকে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষনা করে। আরিফকে ভর্তি করে দেয়।
এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসানের নিদের্শে থানায় কর্মরত এসআই সাহিদুল আলম,এসআই হাসানুর রহমান,এএসআই মোল্লা শফিকুজ্জামান,এএসআই আফজাল হোসেনসহ পুলিশের কয়েকটি টিম সদর উপজেলার ঘোপ ছাতিয়ান তলা এলাকা থেকে উক্ত চারজন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। অপর সহযোগীদের গ্রেফতারের জোর অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এদিকে, নিহত মামুনের মাতা বকুল খাতুনের দায়ের করা এজাহারে গ্রেফতারকৃতসহ ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন দূবৃৃর্ত্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার সকালে আব্দুল্লাহ আল মামুনের লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্নর পর তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের কাছে হত্যাকান্ডের ঘটনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রগুলো জানিয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানাগেছে।

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares