| | মঙ্গলবার, ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সফর, ১৪৪১ হিজরী |

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশিতঃ ১০:৪২ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৯

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর নদীর উত্তর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় প্রসাশন সদরঘাট থেকে অভিযান শুরু করে।

সরেজমিন দেখা যায়, অভিযানের আগেই নদীর পাড়ের অবৈধ কাঁচা, সেমিপাকা, পাকা স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে অনেকে। ক্রেন, গ্যাস কাটার, শ্রমিক দিয়ে নিজ নিজ স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিগণ। এ উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান।

তিনি জানান, উচ্ছেদ অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নিচ্ছেন। অবৈধ স্থাপনা ভাঙার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) বুলডোজার, স্ক্যাভেটর, পে-লোডার, ট্রাকসহ সরঞ্জাম দিয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ১০০ শ্রমিক ভাঙার কাজ করছেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। ৩দিন সার্ভে করেছি, একসঙ্গে অভিযান চালাবো, প্রথমে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হবে। কোনো লোক আছে কিনা তল্লাশি করবো, এরপর ভাঙা হবে স্থাপনা। দিনের আলো থাকা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। কর্ণফুলী নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা করে দখলদারদেরকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।

তিনি আরো জানান, মহামান্য হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। যত দিন পর্যন্ত সব স্থাপনা উচ্ছেদ না হবে ততদিন পর্যন্ত এ অভিযান অব্যহত থাকবে। সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ২০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে এবং ১০ একর জমি উদ্ধার হবে। কে বড়, কে ছোট-সেটি আমাদের কাছে বিবেচ্য নয়। সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদের পর জায়গাগুলো কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল, নগরীর জলাবদ্ধতা, পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে কর্ণফুলীর দুই পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে সীমানা পিলার স্থাপন, অবৈধ স্থাপনা লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করা, মাইকিং করা হয়েছে।

তিনি জানান, অভিযানে সবচেয়ে বেশি সরঞ্জাম দিয়েছে চসিক। এতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদফতর, পিডিবি,বিআইডব্লিউটিএ, ভূমি অফিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধি অভিযানে সহযোগিতা করছেন। সিএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (দক্ষিণ) আবদুর রউফ জানান, নারী সদস্যসহ দেড় শতাধিক পুলিশ উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। কেউ এ নিয়ে কোন প্রভাবশালী মহল উচ্ছেদ অভিযানে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares