| | সোমবার, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশের যেসব দাবি-দাওয়া

প্রকাশিতঃ ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৯

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯’এর প্রথম দিন সোমবার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তুলে ধরা হবে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি-দাওয়া।

বছরে এই একটি দিনই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে খোলামেলাভাবে আলোচনা ও দাবি-দাওয়া উপস্থাপনের সুযোগ পান পুলিশ সদস্যরা।

জানা যায়, এর মধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদের মর্যাদা বাড়ানো, বাধ্যতামূলক ছুটি, ঝুঁকিভাতা, ওভারটাইম চালু, আসামি বহনের ভাতাসহ অনেকগুলো চাওয়া রয়েছে পুলিশের।

পুলিশের(এসআই), (এএসআই) এবং কনস্টেবল সমমর্যাদার কয়েকজন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে বলেন, ছুটি জমা থাকলেও কর্মব্যস্ততা ও চাপের কারণে কাটানো সম্ভব হয় না। তাই কেউ যদি ছুটি না কাটাতে পারেন তাহলে তাকে বছরের শেষ সময়গুলোতে বাধ্যতামূলক ছুটির ব্যবস্থা করতে হবে।

পুলিশের এক কনস্টেবল বলেন, আমাদের ডিউটির সময় নির্ধারণ করা থাকলেও অনেক সময় অতিরিক্ত ডিউটি করতে হয়। যেমন গত বছর জঙ্গিবাদ ও নির্বাচনের সময় অতিরিক্ত ডিউটি করতে হয়েছে। জাতীয় দিবস আর জাতীয় উৎসব তো আছেই। তাই আমাদের জন্য ওভারটাইম ও পুলিশভাতা চালুর প্রস্তাব দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

পুলিশ কর্মকর্তারা আরো বলেন, একজন আসামিকে থানা থেকে আদালতে আনা-নেয়ার জন্য সব সময় গাড়ি পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে সিএনজি অথবা গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হয়। এতে ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়।

এছাড়া একজন এএসআইকে পাঁচটি এবং এসআইকে তিনটি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে হয়। একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরে কোর্টে চালান করতে দেড় থেকে তিন হাজার টাকা লাগে। অথচ এজন্য অতিরিক্ত কোনো টাকা থাকে না। এ টাকাগুলো এএসআই এবং এসআইকে নিজের বেতন থেকে খরচ করতে হয়।

তারা বলেন, আসামি গ্রেফতার ও কোর্টে প্রেরণ বাবদ খরচকৃত টাকা সরকারি তহবিল হতে নগদ প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক। এছাড়াও অনেকক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সোর্সমানি দেয়া হলেও তা অপারেশন লেভেলের কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছায় না। এ বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সোর্সমানি প্রদানপ্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ করার দাবি জানাই।

তবে তাদের দাবি-দাওয়ার মধ্যে কয়েকটি উঠবে কল্যাণ সভায় প্রধানমন্ত্রীর সামনে। এদের মধ্যে একটি আইজিপি পদ বদলে ফোর স্টার জেনারেল পদমর্যাদার ‘চিফ অব পুলিশ’করা। পুলিশের একাধিক আইজিপি পদ সৃষ্টি, মেডিকেল কলেজ স্থাপন, আরো এক লাখ পুলিশ নিয়োগ, বিভিন্ন দূতাবাসে পুলিশসহ একগুচ্ছ দাবি উঠছে প্রধানমন্ত্রীর সামনে।

গেল ২১ জানুয়ারি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত ‘পলিসি গ্রুপ’র সভায় এসব দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

সভায় পুলিশ কর্মকর্তারা এই বাহিনীর জন্য পুলিশ লাইনে ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি জানায়। এ ছাড়া আবাসন সংকট দূর করা, থানাগুলোয় যানবাহন ও লোকবল বাড়ানোর দাবি জানানো হবে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares