| | বুধবার, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-পটিয়া মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০ বাঁক : মরণ ফাঁদ

প্রকাশিতঃ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৯

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের শাহ আমানত কর্ণফুলী সেতু থেকে চন্দনাইশের দোহাজারী শঙ্খনদীর ব্রীজ পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে ৫০ বাঁক যেন এক মরণ ফাঁদ। বান্দরবান, টেকনাফ, কক্সবাজার ঘামী পর্যটকদের যাথায়তের জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা সড়ক একটি দূরুত্বপূর্ণ সড়ক কিন্তু এই সড়কের প্রসস্থ বৃদ্ধি না হওয়ায় কর্ণফুলী শাহ আমানত ব্রীজ থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৫০ টি বাঁকের কোন সংস্কার হয়নি।

কক্সবাজার থেকে দোহাজারী সেতু পর্যন্ত ১১৫ কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘন্টা। এ কারণে ২ লাইনের সড়ক এবং বাঁক কম থাকা। অথচ দোহাজারী শঙ্খ সেতু থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বাকি ৪৫ কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘন্টা। এরমধ্যে পটিয়া বাস স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম যেতে প্রচুর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও সড়কের দু’পাশ ঘেষে রাস্তার উচুঁ-নিচু স্থান থাকায় প্রতিনিয়ত ছোট বড় দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। এসব দূর্ঘটনার ফলে লাশের মিছিল বাড়ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, পটিয়া মইঝার টেক পর্যন্ত মনসার টেক বাদামতল আমজুর হাট, গৈড়লার টেক, মনসা চৌমুহনী, কাগজী পাড়া, পটিয়া পোষ্ট অফিস মোড়, আদালতের গেইট মোড়, থানার মোড়, পটিয়া কলেজ মোড়, ডাকবাংলার মোড়, বাস স্টেশন, দরগা গেইট, কমল মুন্সির হাট মিলে ৩০ টি পয়েন্টে এবং চন্দনাইশ উপজেলার ২০ পয়েন্টে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। সড়ক বিভাগের তথ্য মতে পটিয়া মনসা থেকে দোহাজারী শঙ্খ ব্রীজ পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার সড়কে সবচেয়ে বেশি দূর্ঘটনা ঘটে থাকে।

এ সড়কে অধিকাংশ ছোট বড় যানবাহন চলাচল করছে অদক্ষ চালকের দ্বারা এদের মধ্যে ১৮ বছরের নিচে শিশু কিশোর রয়েছে। প্রায় সময় দূর্ঘটনার কারণে যাত্রীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে শাহ আমানত সেতু থেকে ভেল্লাপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত ৪ লেনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ভেল্লাপাড়া ক্রসিং থেকে বাকী অংশের দ্রুত কাজ শুরু করলে দূর্ঘটনার হার কমে আসবে বলে মনে করেছেন সচেতন মহল। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ২ বছরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রায় ২ শতাধিক লোক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আনুমানিক ১ হাজার এর উপরে এছাড়াও এই সড়কে ফিটনেস বিহীন যানবাহনের সংখ্যা বেশী হওয়ায় দূর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক আরিফুর রহমান জানান, অদক্ষ চালক ও ফিটনেস বিহীন যানবাহনের সংখ্যা কমে আসলে দূর্ঘটনার হার কমে আসবে। তবে সাবেক পটিয়া পৌর মেয়র শামসুল আলম মাষ্টার বলেন, ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি এবং অদক্ষ চালকের কারণে এসব দূর্ঘটনা ঘটছে। সে এব্যাপারে সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares