| |

চট্টগ্রাম- ১২ পটিয়া আসনে মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী সিরাজ-সামশু

প্রকাশিতঃ 12:15 am | November 08, 2018

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শিল্প বিষয়ক উপদেষ্ঠা পটিয়ার সাবেক এমপি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি, সাবেক পটিয়া পৌরসভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সামশুল আলম মাষ্টার এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

জাতীয় পার্টির গত কয়েক মাসের কয়েকটি ওয়ার্ড পর্যায়ের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সামশুল আলম মাষ্টার বলেছেন আওয়ামীলীগকে আর ছাড় দেওয়া হবে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি পটিয়া আসনটি মহাজোটের সংরক্ষিত ছিল। রাজনীতিক সমীকরণে ভাগ্য আমাদের ছিটকে পড়েছে। এবার আর নই। হইতো পটিয়া থেকে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নতুবা আমি একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিষয়টি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রামের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি ও জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী কোতোয়ালী-বাকলিয়া আসনের এমপি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে অবহিত করেছেন।

এদিকে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম.এ.মতিন চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনের জোটগত নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হতে জোর লভিং চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া এম.এ.মতিনকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ খুব ¯েœহ করেন বলে ইসলাম ফ্রন্টের দলীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে।

সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জাতীয় পার্টির ৯ বছর শাসনামলে ব্রীজ, কালভার্ট, মসজিদ, মন্দির, স্কুল-কলেজ, কর্ণফুলী ব্রীজ, পল্লী বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিসিক শিল্পনগরী, বিওসি রোড সহ অনেক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ কাজ করেছি। যার ফলে দল আমাকে মনোনয়ন দিলে পটিয়া আসনটি এরশাদ সাহেবকে আমি উপহার দিতে পারবো।

সাবেক মেয়র সামশুল আলম মাষ্টার বলেন, এরশাদ ক্ষমতায় থাকা কালে সালিশ-বিচার, পটিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠা, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করণ, আধুনিক পটিয়া গড়তে তিনি মেধা ও শ্রম দিয়ে গেছেন। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কোন কারণে নির্বাচন না করলে পটিয়া আসনে আমি নির্বাচন করবো। সুষ্ঠু, অবাদ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি বিজয়ী হবো। তাছাড়া এরশাদ ক্ষমতা ছাড়ার পর, এরশাদের মুক্তি আন্দোলন করতে গিয়ে আমি ও আমার দলের নেতাকর্মীরা অনেক মামলা, হামলা, নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এ কারণে দল আমাকে মূল্যায়ন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক দাবিদার জনৈক নুরুচ্ছফা সরকারকে জাতীয় পার্টির জেলা, উপজেলা, পৌরসভা নেতাকর্মীরা তাঁকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেছেন। এমনকি সে গত ২টি জিরি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামানত বায়েজাপ্ত হয়েছিল। গত ইউপি নির্বাচনে তার ছেলেকে ইউপি সদস্য পদে দাঁড় করিয়ে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়। এমন একজন লোক জাতীয় পার্টির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় ধান্দাবাঁজি করে। নির্বাচন আসলে সে দলকে বিভক্তি করার বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। এ ব্যাপারে তিনি জাতীয় পার্টির সকল স্তরের নেতাকর্মীসহ পটিয়া বাসীর প্রতি সজাগ থাকার আহবান জানান।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!