| |

ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ মোকাবেলার উপকূলীয় জেলায় ছুটি বাতিল

প্রকাশিতঃ 7:20 pm | October 11, 2018

ঘূর্ণিঝড় তিতলি মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উপকূলীয় ১৯ জেলার সরকারি সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম একই মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে জানিয়ে ত্রাণ মন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি সকালে ভারতে আঘাত হেনেছে। তিতলির মোকাবেলায় আমরা ব্যাপক প্রস্তিুতি নিয়েছি। উপকূলীয় ১৯জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি আজ ভোররাত থেকে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এই ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় আমাদের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রয়েছে। এছাড়া সিপিপির ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার-ভিডিপি, স্কাউট প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, জ্জ দিন আগেই সরকার তিতলির পূর্বাভাস পেয়েছে। সে মোতাবেক দক্ষিণাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলাসমূহকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিতলির সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে মায়া বলেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত হ্যারিকেনের তীব্রতা সম্পন্ন এ ঘূর্ণিঝড় উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ ভোর রাতে ভারতের গোপালপুরের নিকট দিয়ে উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হানলে এর মোকাবেলায় প্রত্যেকটি উপজেলায় এবং জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা এবং তাদেরকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রেলরুম এনডিআরসিসি এর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে ২৫ হাজার পরিবারকে ভাসানচরে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। প্রথম দফায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে সেখানে নেওয়া হবে। তবে সেটা অস্থায়ী। আমরা আশা করছি, মিয়ানমার সরকার খুব শিগগির তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শাহ্ কামাল, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমদ খান, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এজাজুল বার, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ, সিপিপির পরিচালক আহমাদুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

(বাসস)


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!