| |

উৎপাদন বাড়াতে কৃষককে ৮০ কোটি টাকার প্রণোদনা

প্রকাশিতঃ 4:06 pm | October 07, 2018

স্টাফ রিপোর্টার : উৎপাদন বাড়াতে ১১টি ফসলে সারাদেশে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার।

প্রণোদনা হিসেবে কৃষকরা চলতি রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদনে বীজ ও রাসায়নিক সার (ডিএপি ও এমওপি) পাবেন।

রবিবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে এ প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৬৪টি জেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ১ বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দেয়া হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রণোদনার মাধ্যমে এ ১২টি ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করা, আবাদ এলাকা বৃদ্ধি ও ফসলগুলোর হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।’

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘এ প্রণোদনা কার্যক্রমের অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ থেকে সংকুলান করা হবে। এ জন্য সরকারের কোনো অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না।’

তিনি জানান, গমের ক্ষেত্রে উপকারভোগী কৃষকের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৭০০, ভুট্টার ক্ষেত্রে ২ লাখ ২১ হাজার ৫০০, সরিষার ক্ষেত্রে ২ লাখ ১০ হাজার ২০০, চীনাবাদামের ক্ষেত্রে ১০ হাজার ১০০, গ্রীষ্মকালীন তিলের ক্ষেত্রে ১৮ হাজার, গ্রীষ্মকালীন মুগের ক্ষেত্রে ৪৮ হাজার ৪০০, শীতকালীন মুগের ক্ষেত্রে ২৪ হাজার ৩০০, খেসারীর ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৬০০, ফেলনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৪০০, বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে ২ হাজার ৭০ ও বোরোতে উপকারভোগী কৃষকের সংখ্যা ৭১ হাজার ৭০০ জন।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, এক বিঘা জমির জন্য গমের ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক ২০ কেজি বীজ, ৫ কেজি ধান বীজ, ভুট্টার ক্ষেত্রে ২ কেজি বীজ ও সরিষার ক্ষেত্রে এক কেজি বীজ, চীনাবাদামের ক্ষেত্রে ১০ কেজি বীজ, গ্রীষ্মকালীন তিলের ক্ষেত্রে এক কেজি বীজ, গ্রীষ্মকালীন মুগের ক্ষেত্রে ৫ কেজি বীজ, খেসারীর ক্ষেত্রে ৮ কেজি বীজ, ফেলনের ক্ষেত্রে ৭ কেজি বীজ ও বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে ২০ গ্রাম বীজ দেয়া হবে।

ধান, গম, ভুট্টা, গ্রীষ্মকালীন তিল, সরিষা ও বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। চীনাবাদাম, গ্রীষ্মকালীন মুগ, শীতকালীন মুগ, খেসারী, মাসকলাই ও ফেলনে প্রত্যেক কৃষক ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রণোদনা হিসেবে পাবেন বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসিরুজ্জামান ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!