| | রবিবার, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

ডুমুরিয়ায় লোনা পানি উত্তোলন করায় মৎস্য ঘের ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশিতঃ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৪, ২০১৮

খুলনা অফিস : খুলনা ডুমুরিয়ার আটলিয়ায় সøুইচ গেটের কপাটতুলে লোনা পানি উত্তোলন করার কারনে মৎস্য ঘের ও উঠতি সবজির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার ভূক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া-বরাতিয়া মৌজাধীন ১৭/২ পোল্ডার ওয়াপদা বাধের উপরে (ভায়নার বিল) ৫নং সøুইচ গেঁটটি অবস্থিত। ২টার দিকে রাজবাড়ি বরাতিয়া গ্রামের খান জাহান আলী, নজরুল ইসলাম, ছলেমান শেখ, বিল্লাল হোসেন, মতিয়ার রহমান সহ আরও কয়েকজন হটাৎ করেই জোয়ারের সময় গেটের কপাট তুলে দেয়। এতে জোয়ারের পানি হু হু করে ভায়নার বিলের ভিতর প্রবেশ করে।

উক্ত বিলে শতাধিক ছোট ছোট মৎস্য ঘের রয়েছে। জোয়ারের পানিতে ঘন্টা খানেকের মধ্যে ঘের গুলোর ভেড়িবাধ উপর দিয়ে পানি উপচে পড়ে। এছাড়া উঠতি মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কুলবড়িয়া গ্রামের আকাম আলী শেখ, সালাম শেখ, জোনাব আলী সরদার, বখতিয়ার শেখ, শফিকুল ইসলাম, হাশেম আলী সরদার, গফফার শেখ, শাহাদাৎ মোড়ল, মোকছেদ শেখ, মান্নান সরদার, আবু সাঈদ, সোহেল শেখ সহ আরও অনেক কৃষকের ক্ষেতের উঠতি ফসল বেগুণ, ফুলকপি, সিম, বরবটি, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

জোনাব আলী সরদার ও হাশেম আলী সরদারের মৎস্য ঘের জোয়ারের পানিতে ভেসে যাওয়ায় পানির সাথে ব্যাপক মাছ বেরিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে মিমাংশা করতে ব্যর্থ হয়ে জোনাব আলী সরদার ও হাশেম আলী সরদার ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।

নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলে জন্যে আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাঃ প্রতাপ কুমার রায় সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টির তদন্ত করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবছর বৃষ্টি কম হওয়ার কারনে আমাদের আমন ধানের ক্ষেত ফেটে যায়, এ ধান বাঁচানোর জন্যে আমরা গেটের কপাট তুলে পানি উত্তোলন করেছি। তবে ভুক্তভোগীদের এত বেশি ক্ষতি হবে সেটা আগে বুঝতে পারিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহনাজ বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাঃ প্রতাপ কুমার রায় বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট থেকে নির্দেশ পেয়ে সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares