| | বুধবার, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী |

নিরব প্রশাসন : আতংকে সাধারণ মানুষ খুলনা ডুমুরিয়ায় ফের সংগঠিত হচ্ছে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা

প্রকাশিতঃ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৩, ২০১৮

আতিয়ার রহমান খুলনা অফিস : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা-৫ আসনে খুলনা ডুমুরিয়ায় ফের সংগঠিত হচ্ছে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা এক সময় সন্ত্রাসীদের রক্তাক্ত জনপদে অভয়ারন্য হিসেবে চিহ্নিত ছিল খুলনার ডুমুরিয়ার উপজেলা।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এসমস্থ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে বেড়াতো, হঠাৎ আবার কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে আবার তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বর্তমান শান্ত ডুমুরিয়াকে অশান্ত করার জন্য একটি চক্র আবারও নতুন সাজে সজ্জিত করছে। সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় প্রতিষ্টিত করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে প্রকাশ ডুমুরিয়া উপজেলায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী দলের সংগঠনের পদচারনায় কাপতো এ অঞ্চল। একক ভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রতি দিন চলতে থাকে খুন, অপহরোন, মারপিট বিপ্লবী কমিউনিষ্ট পার্টির প্রধান বরুন গ্রুপ র্দীঘদিন সংগঠন চালানোর পর দলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেওয়ার সুযোগ বুঝে মৃণাল, বরুণ সহ তার বিশ্বন্ত ব্যক্তিদের খুন করে।

সন্ত্রাসী মৃণাল ওরফে মনোরঞ্জন গোসাই নতুন করে দল গঠন করে দলের নাম রাখেন নিউ বিপ¬বী কমিউনিষ্ট পার্টি এবং দলের প্রধান হয় মৃণাল রায় নিজে। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় জামায়াত শিবির ক্যাডাররা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

প্রায় প্রতিদিনই তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠকে মিলিত হচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, খুলনা-৫ আসনে বড় দুই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদেরকে নিয়ে ততই সরব আলোচনা চলছে। দল থেকে কোন সবুজ সংকেত না পেলেও প্রার্থীরা কৌশলগতভাবে প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছে। এলাকায় গণসংযোগের পাশাপাশি ধর্মীয় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদানের মাধ্যদিয়ে নিজেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে ঘুরে এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা-৫ আসনে বিশেষ করে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে কৌশলে প্রচারণায় নেমে পড়েছে। নির্বাচন সম্ভাব্য আগামী ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারীতে হতে পারে বলে মনে করছেন প্রার্থীরা। তাই দলের মনোনয়নের জন্য তারা কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডে চেষ্টা তদবীর চালিয়ে যাচ্ছেন।

ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত খুলনা-৫ আসন। এখানে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ২৫৯ জন মোট ভোটার রয়েছে। খুলনা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা ডুমুরিয়াতে রয়েছে ১৪টি ইউনিয়ন, এখানে ভোটার সংখ্যা আছে ২লাখ ৪৩ হাজার ২৫৯ জন এবং ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফুলতলা উপজেলাতে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার। জামায়াত শিবির ক্যাডাররা
বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকান্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা এমন আভাস পাওয়া গেছে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র হতে।

এদিকে জামায়াত শিবিরের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও এ পর্যন্ত প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্র জানায়, ডুমুরিয়া থানাধীন ৭নং শোভনা, ৪নং খর্নিয়া, ৫নং আটলিয়া, জামাত শিবিরের একাধিক নেতাকর্মী পুলিশের ধরাছোয়ার বাহিরে। সন্ত্রাসী জামাত, শিবিরের গোপন বৈঠক চলছে গোপনে গোপনে। ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালিন কিছু জামাত শিবির নেতার অত্যাচারে পালিয়ে বেড়াতো সাধারন মানুষ।

আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এসমস্ত জামাত নেতা আগের মতই তাদের অপতৎপরতা অব্যহত রেখেছে। একদিকে পুলিশের ভয়, অপর দিকে জামাত শিবিরের ভয়ে আতঙ্কিত থাকে সবসময় এলাকার মানুষ। কেউ যদি জামাত শিবিরের আস্থানা তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে দেয় এক দিকে তাদের পরিবারের উপর নেমে আসে অত্যাচার অপর দিকে পুলিশের ভয়েও তারা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান তালিকা ভূক্ত সন্ত্রাসী বহু দিন পালিয়ে আবারও এলাকায় এসে আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে জামাতের নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করছে, তারা ডুমুরিয়া বড় ধরনে আঘাত আনবে বলে একাধিকবার তাদের গোপন বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছে।

এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষ গ্রহন পূর্বক এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের আসু হন্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares