| |

মুক্তিযোদ্ধারা বছরে ৫টি উৎসব ভাতা পাবেন- আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও সর্বশেষ খবর পেতে আ্যপসটি ইনস্টল করুন

প্রকাশিতঃ 1:11 am | September 15, 2018

স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. ক. ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা এখন বছরে ৫টি উৎসব ভাতা পাবেন। দুটি ঈদ বোনাসের পাশাপাশি বাংলা নববর্ষ, মহান বিজয় দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি করে উৎসব বোনাস দেওয়া হবে, তিনি বলেন, প্রত্যেক অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার জন্যে ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সকল চিকিৎসার ব্যয়ভাড় ইতিমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে।

মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী শুক্রবার সকাল ১১টায় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নকলা পৌর শহরে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান আমলে এদেশ ছিল ২১ লক্ষ টন খাদ্য ঘাটতির দেশ। বর্তমানে এ থেকে উতড়িয়ে আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ দেশে উন্নিত করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ উৎক্ষেপনের মাধ্যমে নতুন যুগের সুচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার উৎক্ষাত করে যারা অনির্বাচিত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় তারা দেশের শত্রু এ থেকে দেশবাসীকে সাবধান হতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, পাঠ্যসূচিতে মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাসের পাশাপাশি পাক হানাদারদের বর্বরচিত ঘটনাবলী বিবরণের অর্ন্তভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেলক্ষ্যে বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ে ১শ নম্বরের প্রশ্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের নির্যাতন ইতিহাস সংক্রান্ত ৫০ নম্বর এবং মুক্তিযোদ্ধের ৯ মাসের ইতিহাসের উপর ৫০ নম্বর থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে নকলা-নালিতাবাড়ীর এমপি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, পচাত্তোর পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতিকে মুছে ফেলার বিভিন্ন পায়তারা করেছেন। এর অংশ হিসেবে পাকহানাদার বাহিনীর আত্ম সর্ম্পনের স্থানে শিশু পার্ক নির্মাণ করেছিলেন। একসময় মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের পরিচয় দিতে ভয় পেতেন। কিন্তু এখন মুক্তিযুদ্ধ বান্ধব সরকার ক্ষমতায় আছে। তাই মুক্তিযোদ্ধারা এখন নিজেদের স্বপরিচয় দিতে গৌরব বোধ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজিম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরো, নকলা উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম, নকলা পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল মুনসুর উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!