| | মঙ্গলবার, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী |

মীরসরাই পর্যটকে মুখরিত মহামায়ালেক

প্রকাশিতঃ ৮:১২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৬, ২০১৮

সানোয়ারুল ইসলাম রনি, মীরসরাই চট্টগ্রাম : অসহনীয় গরম নেই, নেই ভারি বৃষ্টিপাতও। ঈদের ছুটিতে যান্ত্রিক নগর ছেড়ে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে একটু স্বস্থির নিঃশ্বাস নিতে ভ্রমণ পিয়াসী অনেকেরই গন্তব্য এখন সবুজের চাদরে ঢাকা মীরসরাই মহামায়ালেক। স্বচ্ছ জল থৈ থৈ চারদিকে। ফাঁকে ফাঁকে সবুজ পাহাড়ের ভাঁজ।

চারদিকে সবুজে মোড়ানো পাহাড়, তার ভাঁজে ভাঁজে স্বচ্ছ জল তরঙ্গ। মহামায়ার ‘মায়া’ কেবল এ দুরকম বর্ণনায়ই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। নীলাকাশের আয়নার মতো এ মহামায়া যেন শিল্পীর ক্যানভাসে কল্পনার রঙে আঁকা ছবি। এ সৌন্দ্রয়ের মায়ায় দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের মহামায়া ইকোপার্ক ও লেক।

রবিবার দেখা গেছে, হাজারো পর্যটকের আনাগোনায় মুখরিত মীরসরাই মহামায়ালেক। প্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে হাজারও পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে মহামায়ায়, এর ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। সবুজের চাদরে ঢাকা প্রকৃতিকে দেখার এবং সারি সারি পাহাড়ের ওপর দিয়ে মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য দেখার অপূর্ব সুযোগ। পর্যটক আগমনের কথা মাথায় রেখে ঈদের আগে থেকে মহামায়া লেকে সৌন্দর্য বর্ধন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমনের কারণে সংশ্লিষ্টদর হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ঈদের ছুটিতে চট্রগ্রাম থেকে গুরতে আসা ঐশ্বরী দেব বলেন, এর আগের বছর ও আমি ঈদের ছুটিতে গুরতে এসেছিলাম এবার আসলাম কারন মহামায়ার চারাপাশে দেখতে অনেক সুন্দর লাগে আর এখান কার পরিবাশেটা অনেক সুন্দর । তাই এইবার ও আমি মহামায়ায় গুরতে আসলাম।

ছোট বন্ধু মাকছুদা আক্তার পিংকি জানান, আমি মা বাবার সাথে ঈদে গুরতে আসছি। আমার অনেক ভালো লাগতেছে। কায়াকিংয়ে গুরে আমার কাছে অনেক ভালো লেখেছে।

নীলাভ জলরাশিতে ডিঙি নৌকা কিংবা ইঞ্জিনচালিত বোট নিয়ে হারিয়ে যায় অপরূপ সৌন্দ্রয়ের মাঝে। ভ্রমন করতে আশা লোকজন বলেন প্রতিটির ভাড়া ৭০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে নিয়ে থাকে আমাদের কাজ থেকে। যা আমাদের জন্য একটু বেশি হয়ে যায়। বন্ধুবান্ধব, পরিবার-পরিজন নিয়ে পানির কলকল ধ্বনিতে মুখরিত মহামায়া লেকে নৌভ্রমণ অন্যরকম আনন্দদায়ক।

মহামায়া লেকের চারপাশে পাহাড়ের বুক চিরে ছুটে চলা আপনাকে বিমুগ্ধ করবে। গৌধূলিলগ্নে সূর্য যখন অন্তিম নীলিমায় ডুবে যায়, তখনকার লেকের পরিবেশ খুবই চমৎকার। তা ছাড়া অনেকেই লেকের কোলে অবস্থিত বিস্তীর্ণ ভূমিতে ফুটবল কিংবা ক্রিকেট খেলায় মেতে ওঠে। ইকোপার্কের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, গতবারের তুলনায় এবারের ঈদ মৌসুমে অনেক বেশী দর্শনার্থী এসেছে।

Matched Content

দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares