| |

ট্রাম্পকে উচিত জবাব দেবে কানাডা ও ইইউ : মের্কেল

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও সর্বশেষ খবর পেতে আ্যপসটি ইনস্টল করুন

প্রকাশিতঃ 6:19 pm | June 11, 2018

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ক্ষুব্ধ টুইট বার্তার মাধ্যমে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের অর্জনকে যেভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল৷ তিনি ইউরোপীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন৷

কানাডায় জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলন থেকে ফিরে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল তার স্বভাবসিদ্ধ সংযম বজায় রেখেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে তার ক্ষোভ চেপে রাখেননি৷ যৌথ ঘোষণাপত্রের প্রতি প্রথমে সম্মতি জানিয়েও তারপর ক্রোধের বশে আচমকা এক টুইট বার্তার মাধ্যমে সেটিকে নাকচ করে দিয়ে ট্রাম্প যে বেপরোয়া মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন, তার ফলে মের্কেল বিষণ্ণ বোধ করছেন৷

জার্মান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এআরডি-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মের্কেল অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ট্রাম্প বাকি বিশ্বের ওপর যে শাস্তিমূলক শুল্ক চাপিয়েছেন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার উচিত জবাব দেবে৷

যুক্তরাষ্ট্র ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর বাড়তি শুল্ক চাপিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা – ডাব্লিইউটিও-র নিয়ম ভঙ্গ করেছে বলে মনে করেন মের্কেল৷

ডব্লিউটিও-র নিয়মের কাঠামোর মধ্যেই ইইউ তার প্রতিক্রিয়া দেখাবে৷ গোটা প্রক্রিয়ায় ইইউ কানাডা ও জাপানের সঙ্গে সমন্বয় করে চলবে- বলেন মের্কেল৷ তবে ইউরোপের কোনো নির্দিষ্ট পালটা পদক্ষেপ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি৷

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের পর ট্রাম্প গাড়ি আমদানির ওপরেও শুল্ক চাপানোর যে হুমকি দিয়েছেন, সে বিষয়ে জার্মানি তথা ইউরোপ আরও দুশ্চিন্তায় ভুগছে৷

এ প্রসঙ্গে মের্কেল ইউরোপীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন৷ তার মতে, কোনো ইইউ সদস্য দেশ এককভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের দিকে ঝুঁকে পড়লে আখেরে ইইউ দুর্বল হয়ে পড়বে৷ সাধারণ কৌশলগত নীতি ছাড়া ইইউ বর্তমান পরিস্থিতিতে শক্তিশালী থাকতে পারবে না, বলেন তিনি৷ একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রর সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাবার পক্ষে মের্কেল৷

জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণাপত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রর প্রত্যাহারের জন্য পুরোপুরি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে দায়ী করছে মার্কিন প্রশাসন৷

জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কানাডার ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক চাপানোকে অপমানজনক বলে মন্তব্য করেছিলেন ট্রুডো৷

বিমানে সিঙ্গাপুর যাবার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে এক টুইট বার্তায় অত্যন্ত জোরালো ভাষায় তাকে আক্রমণ করেন৷‘ট্রুডো পেছনে আমাদের ছুরি মেরেছেন’- এমন অভিযোগ করেন তিনি৷

ফ্রান্সও ক্রোধের বশে ট্রাম্পের আচরণের সমালোচনা করেছে৷প্রেসিডেন্টের দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ক্রোধ ও বেসামাল মন্তব্যের ওপর নির্ভর করতে পারে না৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!