| |

হালুয়াঘাটে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির চাল বিতরণে অনিয়ম, ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে ওজনে কম

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও সর্বশেষ খবর পেতে আ্যপসটি ইনস্টল করুন

প্রকাশিতঃ 11:15 pm | March 12, 2018

জোটন চন্দ্র ঘোষ : হালুয়াঘাটে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির চাল বিতরণে প্রথম দিনে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি পরিলক্ষিত হয়েছে। ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে ৩০ কেজি চালের বিপরিতে ২৬ থেকে ২৮ কেজি চাল সুবিধাভুগীদের প্রদান করা হয়েছে। ওজনে কম দিচ্ছেন দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ডিলার ও ট্যাগ কর্মকর্তা।

সরেজমিনে দেখা যায়,সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত হত দরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন না করায় সুবিধাভুগী ব্যক্তিগণ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রতি সুবিধাভুগী ব্যক্তিদের প্রতি মাসে ত্রিশ কেজি করে চাল সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ডিলারদের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। ওজনে সঠিক ও সুষ্ঠ মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। কিন্ত উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের চৌরাস্তা নামক স্থানে খাদ্যবান্ধ কর্মসুচীর নিযুক্ত ডিলার এইচ এম বাবর, ট্যাগ অফিসার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান খান সুবিধাভুগীদের ত্রিশ কেজি চালের বিপরিতে ২৬ থেকে ২৮ কেজি চাল জন প্রতি বিতরণ করেন। ওজনে কম দেওয়ায় সুবিধাবভুগী ভুক্তভোগীগণ সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয় । পাশাপাশি ওজনে চাল কম দেওয়ার খবর শুনে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন আমতৈল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান শফিক ।

সাংবাদিক ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে ওজনে কম দেওয়া থেকে কিছুটা পরিত্রান পায় হতদরিদ্র জনসাধারণ। ট্যাগ কর্মকর্তা নিজে ২ থেকে ৩ কেজি চাল ওজনে কম দিচ্ছেন এবং স্কেল পাল্লায় ৮৩০ গ্রাম ওজনের প্লাস্টিক বালতি দিয়ে ১৫ কেজি করে ২ বার মাপ দিয়ে ৩০ কেজি চাল দেখানো হলেও প্রকৃত পক্ষে সুবিধাভুগীদের ১৬৬০ গ্রাম প্রায় ২ কেজি চাল ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দেওয়া হচ্ছে ওজনে প্রায় আরো ২ কেজি কম। ভুক্তভুগীরা উক্ত ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে বাহির শিমুল বাজারে সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর সুবিধাভুগীদের চাল বিতরণের দাবী জানায়।

?

এ বিষয়ে ট্যাগ কর্মকর্তা কামরুল হাসান ও ডিলার এইচ এম বাবর ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এখন থেকে আর ওজনে কম দিবেন না। অন্য ব্যক্তি দিয়ে চাল পরিমাপ করায় এমনটি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওজনে চাল কম দেওয়ার কথা শুনে ঘটনাস্থলে তদন্ত কর্মকর্তা পাঠিয়েছেন। তদন্তে ওজনে কম ও দূর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। অত্র উপজেলা খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর আওতায় ৩৭ জন ডিলারের মাধ্যমে ১৯,২৮১ জন সুবিধাভুগীকে ৩০ কেজি করে ১০ টাকা কেজির চাল প্রদান করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন, ওজনে চাল কম দেওয়ার কথা শুনেছেন। ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!