| |

হালুয়াঘাট থানা ভবনের প্রকৃত সৌন্দর্য্য অবলোকিত

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও সর্বশেষ খবর পেতে আ্যপসটি ইনস্টল করুন

প্রকাশিতঃ 9:06 pm | February 27, 2018

জোটন চন্দ্র ঘোষ : ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে থানা চত্বর হালুয়াঘাটে প্রায় শত বছরের পুরানো পরিত্যাক্ত টিনশেড ঘরটির কারণে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত থানা ভবনের প্রকৃত্ব সৌন্দর্য্য অবলোকিত হচ্ছে। জরাজির্ণ টিনশেড ঘরটি ভেঙ্গে থানা ভবনের সন্মুখে পানির ফোওয়ারা বেষ্টিত ঝর্ণা স্থাপিত করা হলে ভবনটির প্রকৃত সৌন্দর্য্য অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

জানা যায়, ১৯১৬ সালে হালুয়াঘাট থানা প্রতিষ্ঠা লাভ করে পরবর্তিত্বে থানাকে ১৯৮৩ সালে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয়। তৎকালীন সময়ে হালুয়াঘাট থানার টিন শেড ঘরটি থেকে অত্র উপজেলার পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হত। কালের বিবর্তনে হালুয়াঘাট থানায় অত্যাধনিক ভবন নির্মিত করা হয়। কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনের সন্মুখে শত বছরের পুরানো জরাজির্ণ ঘরটির কারণে আধুনিক থানা ভবনের সুন্দর্য্য অবলোকিত রয়েছে। সম্প্রতি থানা ভবনকে ঘিরে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ময়মনসিংহ জেলা ও রেঞ্চে ৪ বার শ্রেষ্ঠ ওসির সন্মাননা পুরুস্কার প্রাপ্ত পুলিশ পরির্দশক কামরুল ইসলাম মিঞা ব্যক্তিগত উদ্যোগে গাঁদা ফুলসহ বিভিন্ন প্রকৃতির ফুলের গাছ রোপন করে নবনির্মিত ভবনটিকে আরো আকর্ষনীয় করে তোলেছেন। দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় ফুলের চারা রোপনের ফলে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে থানা চত্বর। কিন্ত শত বছরের পুরানো পরিত্যাক্ত থানার টিনশেড ঘরটির কারণে বিফলে যাচ্ছে ভবনটির প্রকৃত সৌন্দর্য্য।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধায় হালুয়াঘাট সার্কেল অফিস ও থানা পরির্দশন করেন ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত রেঞ্চ ডিআইজি আক্কাস উদ্দিন ভুইয়া। এ সময় অতিরিক্ত রেঞ্চ ডিআইজি আক্কাস উদ্দিন ভুইয়া থানার সৌন্দর্য্য বর্ধনে পরিত্যাক্ত থানার টিনশেড ঘরটির অপসারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনিও উল্লেখ করেন। এ সময় অতিরিক্ত রেঞ্চ ডিআইজির সফর সঙ্গী ছিলেন, ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এ নেওয়াজী। এ সময় হালুয়াঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর পিপিএম ও হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মিঞা এবং ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলম পিপিএম সহ হালুয়াঘাট থানা পুলিশের সকল অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলাবাসী প্রসাশনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অতি দ্রুত শত বছরের পুরানো পরিত্যাক্ত টিনশেড ঘরটির অপসারন করে। উক্ত স্থানে পানির ফোওয়ারা বেষ্টিত ঝর্ণা নির্মাণ করার আহবান জানান।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, শত বছরের পুরানো পরিত্যাক্ত থানার টিনশেড ঘরটির অপসারণের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করবেন। পাশাপাশি পানির ফোওয়ারা বেষ্টিত ঝর্ণা স্থাপন করার জন্য আহবান জানাবেন। থানার সৌন্দর্য্য বর্ধনে তিনি ব্যক্তি উদ্যোগে থানা চত্বরে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার বিভিন্ন জাতের ফুল গাছ রোপন করেছেন।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!