| |

১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

প্রকাশিতঃ 10:01 pm | January 25, 2018

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে মনোয়নপত্র দাখিল করতে হবে ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত, যাচাই-বাছাই ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে জাতীয় সংসদ ভবনে, দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সংবিধান অনুযায়ী এতে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা (এমপিরা)।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের এ তফসিল ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে একজন এমপির সমর্থন প্রয়োজন হয়। ভোটও দিয়ে থাকেন এমপিরাই। এতে প্রধান ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার ভূমিকা পালন করেন স্বয়ং সিইসি। সে হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হবে সিইসির দফতরে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।

সংবিধান অনুযায়ী, মেয়াদ অবসানের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে মেয়াদপূর্তির তারিখের আগের নব্বই থেকে ষাট দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা ছিল নির্বাচন কমিশনের।

২০১৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের তারিখ ছিল ২৯ এপ্রিল। সে বছর ৯ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২১ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা, ২২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বাছাই ও ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত তা প্রত্যাহার করার শেষ সময়। অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিনই আবদুল হামিদকে রাষ্ট্রপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আর ২৪ এপ্রিল তিনি শপথ নেন।

আইন অনুযায়ী, এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। মো. আবদুল হামিদ প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।