| |

অসহায় অভিভাবক হীন ৬ বোন

প্রকাশিতঃ 4:20 pm | June 01, 2017

শামীম চৌধুরীঃ একটি পরিবারের ৬টি সন্তান। আর এ ৬ জনই হচ্ছে মেয়ে। ওদের ও স্বপ্ন ছিল লেখা পড়া করে বাবা-মায়ের ছেলে সন্তানের অভাব দুর করবে। কিন্তুু ভাগ্য বড় নির্মম,বছর কয়েক আগে হারায় বাবাকে,৩ মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মারা যায়। মাথার উপর থেকে যেন শেষ ছায়া টুকু সরে যায়। এখন কি হবে অভিভাবক হীন ৬ বোনের। কে করবে বিয়ে,কে নিবে দায়িত্ব।

নিহত আরজিনা মম্মথপুর ইউনিয়নের ছোট হরিপুর মুন্সীপাড়া গ্রামের মৃত মোফাখ খারুল ইসলামের স্ত্রী। প্রতিবেশীরা জানায়,২৪ এপ্রিল ২০১৩ সালে স্ত্রী ও ৬ কন্যা সন্তান কে রেখে মারা যান পরিবারের একমাত্র উপার্জন শীল ব্যক্তি মোফাখ খারুল ইসলাম। তার মৃত্যুর পর,বড় দুই মেয়ে মুক্তা ও রিক্তা পরিবারের কথা ভেবে লেখা পড়া ছেড়ে সংসারের হাল ধরতে বাধ্য হন।

তারা দুজনেই বাঁচার তাগিদে চাকুরী করেন ঢাকার দুই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে। বর্তমানে মুক্তার বয়স (২৪),রিক্তা (২২),মোমেনা (১৮) ৩ জনই বিবাহযোগ্য। এ ছাড়া ছোট বোন লিপি (১৩) ৮ম শ্রেনী,মমতাজ (১৫) নবম শ্রেনী,ও নুসরাত জাহান ইতি (১১) ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ছে। ৬ বোনই মেধাবী ছাত্রী। প্রতিবেশী মেনহাজুল হক বলেন পরিবারটির ৫ শতক বসত ভিটা ছাড়া ওদের আর কোন আবাদি জমি নেই।

মায়ের মৃত্যুর পর বড় দুই বোন মুক্তা ও রিক্তা ছোট ৪ বোনকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে,৪ বোনকে বাড়িতে রেখে চাকুরীতে ফিরে যাবে, নাকি বাড়িতে বোনদের সাথে থাকবে এ নিয়ে উভয় সংকটে পড়েছে দুই বোন। মুক্তা ও রিক্তা কান্না জড়িত কন্ঠে জানায়,বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছিল ৬ বোনকে শিক্ষিত করা। কিন্তুু দরিদ্রতার কারনে বড় দুই বোনকে পড়া লেখা ছেড়ে দিয়ে সংসারের হাল ধরতে হয়। এখন অভিভাবক হীন হয়ে তারা কি ভাবে বোনদের লেখা পড়া ও সংসার চালাবে তা ভেবে পাচ্ছেনা। এ নিয়ে চরম হতাশায় ভুকছেন।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!