| |

হালুয়াঘাটে ফাঁসিতে ঝুলে ২ সন্তানের জননীর আত্বহত্যা

প্রকাশিতঃ 6:10 pm | April 21, 2017

উপজেলার সন্ধাকুড়া গ্রামে রুমা আক্তার (৩৬) নামে এক গৃহবধু নিজ ঘরে ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্বহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতি বার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানার এস আই হেলাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। ঘটনার পর থেকেই স্বামী রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়- প্রায় ২০ বৎসর পুর্বে হালুয়াঘাটের সাবেক শ্রমিক নেতা রহিম ড্রাইভারের কণ্যা রুমা আক্তারের সাথে সন্ধাকুড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের ঘরে শুভ (১৮) ও শাকিব (১৪) নামে দুটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর বনিবণাত হচ্ছিলনা । রুমার ভাই ছমির শেখ বলেন- প্রায় দু’মাস পুর্বে তার কাছে রুমা ফোন দিয়ে  দুলাভাই  সম্পর্কে নানা অভিযোগ করে ছিল। রফিকুল মোবাইল ফোনে অন্য একটি মেয়ের সাথে সর্বক্ষণ কথা বলতো বলেও জানিয়ে ছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মাঝে সর্বদায় ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। ছমির শেখ আরও অভিযোগ করে বলেন – সপ্তাহ খানেক আগে সে তার বোনের বাসায় ৪ দিন অবস্থান করে ছিল। মোবাইল ফোনে কথাবলা নিয়ে চারদিনই ঝগড়া হয় তাদের। তার দাবী রুমার স্বামী রফিকুল অন্য মেয়ের সাথা মোবাইলে কথা বলার কারনেই তার বোন আত্বহত্যা করেছে। এছাড়া রুমার মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন- রুমার মৃতদেহের পা  ঘরের খাটের সাথে স্পর্শ ছিলো, ঘটনাটি আত্বহত্যা নাকি হত্যা এ নিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানান।  রুমার পরিবার ও আত্বীয় স্বজনেরা উক্ত ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তদন্ত পূর্বক আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেন। এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার এস আই হেলাল উদ্দিন বলেন- সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করার পর মৃত মহিলার লাশটি ঘটনা স্থল থেকে উদ্বার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। এ ঘটনায় অত্র থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করেছেন। ডাক্তারি রিপোর্ট পেলেই ঘটনার মূল রহস্য বেড়িয়ে আসবে বলে তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর দেখুন


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।