| |

সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে নৌকার বিজয়

প্রকাশিতঃ 10:50 am | May 17, 2017

নীলফামারী প্রতিনিধি : সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে নৌকা প্রতিকের আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোখছেদুল মোমিন বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

এখানে মোট ৫জন প্রতিদ্বন্দি প্রাথীর মধ্যে মোখছেদুল মোমিন ভোট পান ৩৬ হাজার ৯৮১। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ধানের শীষের বিএনপি প্রার্থী প্রভাষক শওকত হায়াত শাহ ভোট পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৯৮। তৃতীয় স্থানে ছিলেন লাঙ্গল প্রতীকের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইলিয়াছ চৌধুরী। তার ভোট সংখ্যা ১৮ হাজার ২৩১ । অপর দুই প্রার্থী হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নূরুল হুদা (হাতপাখা) ভোটপান ৩ হাজার ৩৫৪ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সৈয়দপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুল মুনতাকিম (আনারস) ভোট সংখ্যা ৭হাজার ৬৩৭।

মঙ্গলবার উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহন ও গগনা শেষে সন্ধ্যায় বেসরকারীভাবে উক্ত ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনের রির্টানীং অফিসার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিলহাজ উদ্দিন।

ভোটগ্রহনের সময় প্রভাব বিস্তারের চেস্টা চালাতে গেলে ভ্রাম্যমান টিমের টহলে আটক হয় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক জামায়াতকর্মী ও বিএনপির নেতা রফিকুল ইসলাম(৩৮)। এ ছাড়া সার্বিকভাবে এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে শেষ হয়। শুরুতে ভোটারের সংখ্যা কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

সুত্র মতে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে ৭১টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৫০৭ জন। এতে মোট বৈধ ভোট এসে দাঁড়ায় ৮৬ হাজার ৬০১টি। এতে শতকরা ভোট পড়ে ৪৭ দশমিক ৭১ ভাগ। আশ্চর্য্যর বিষয় নির্বাচনে অনেক ভোটারের ভোট প্রদানের সমস্যায় বেশ কিছু ভোট বাতিল হয়ে থাকে। কিন্তু সৈয়দপুরের এই নির্বাচনে ভোটারগন নিখুঁতভাবে ভোট প্রদান করায় কোন ভোটারের ভোট বাতিল হয়নি।

কিন্তু এলাকায় বোরো ধান ও বিভিন্ন রবি ফসলের মৌসুমে কৃষক পরিবার গুলো ফসলের মাঠে ব্যস্ত থাকায় ভোটকেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ছিল তুলনামুলক কম। তবে বৃদ্ধ ও নারী ভোটাররা এসে ভোট প্রদান করছে।

জেলা পুলিশের ডিআইও ওয়ান আব্দুল মোমিন জানান ৭১টি ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৫৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় ভোট কেন্দ্র ও ভোট কেন্দ্রের বাহিরে অস্ত্রধারী ৭১ জন পুলিশ অফিসার, ২৮৪ জন পুলিশ সদস্য এবং ৮৫২ জন আনসার ও ভিডিপি বাহিনী দায়িত্ব পালন করে। প্রতি ভোট কেন্দ্রে একজন অফিসারের নেতৃত্বে ৪ জন কনস্টেবল ও ১২ জন আনসার সদস্যসহ মোট ১৭ জন নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে। এ ছাড়া একজন পুলিশ অফিসারের নেতৃত্বে ৬ সদস্য করে ১৪টি মোবাইল টীম মাঠে সার্বক্ষনিক টহল ছিল। এর মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১০টি ও পৌর এলাকায় ৪টি মোবাইল টীম দায়িত্ব পালন করছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কয়েকটি টীম নির্বাচনী টহলে থাকে। এছাড়া ২০ জন করে ৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করে। প্রস্তুত ছিল রিজার্ভ ফোর্স এ ছাড়া তিন প্লাটুন করে র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে। তিনি বলেন সার্বিকভাবে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটগনন ও গননার পর ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!