| |

পরপর ৩ আঘাত, উজ্জীবিত বাংলাদেশের সামনে লণ্ডভণ্ড অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিতঃ 6:27 pm | August 27, 2017

ক্রীড়া প্রতিবেদক : শুরুতেই তিন আঘাতে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের ব্যাটিং লাইন লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে। আর উজ্জীবিত বাংলাদেশ।
মেহেদি হাসান মিরাজ বাংলাদেশকে খেলায় ফিরিয়ে এনেন। তার সফল আক্রমণের শিকার হয়ে বিদায় নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ওয়ার্নার ৮ রান করেছিলেন। এরপর রান আউট হয়ে ফিরে যান উসমান খাজা। তিনি মাত্র ১ রান করেছিলেন। এরপর লিয় বিদায় নেন সাকিব আল হাসানের শিকার হয়ে।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৩ উইকেটে ১৪ রান।
এর আগে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে ২৬০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ। এরপর অস্ট্রেলিয়া তাদের ইনিংস শুরু করে।

মিরাজের বিদায়
বৃষ্টির কারণে ম্যাচ থেমে যাওয়ার পর আবারো মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজ সাজঘরে ফিরে যান ১৮ রান করে। ক্রিজে রয়েছেন নাসির হোসাইন (২২) ও তাজুল ইসলাম। খেলা শেষ হয়েছে ৭৩ ওভার। এ পর্যায়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৫।
বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ
বৃষ্টির কারণে মিরপুর স্টেডিয়ামে চলমান বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের তৃতীয় সেশনে খেলা ৬৬.৪ ওভার পর্যন্ত হওয়ার পরই বাগড়া দেয় বৃষ্টি।
বৃষ্টির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৬৬.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রান। নাসির ব্যাট করছিলেন ১১ রান নিয়ে এবং তার সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যাট করছিলেন ৬ রান নিয়ে। ৮৪ রান করে সাকিব এবং ৭১ রান করে আউট হয়েছেন তামিম ইকবাল।

সাকিবের আফসোস
দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তুলেছিলেন তিনি। সাথে ছিলেন তামিম ইকবাল। এই জুটি শক্ত হাতে সামলেছেন দলকে। প্রথম সেশনে অপ্রতিরোধ্য এই জুটি দ্বিতীয় সেশনে ভেঙে পড়ে। প্রথম সাজঘরে ফিরেন তামিম ইকবাল। এখন সাকিব আল হাসান। শতক থেকে মাত্র কিছুটা দুরে থাকতেই সাজঘরে ফিরলেন তিনি। এই আফসোস হয়ত অনেক দিন থাকবে সাকিবের। কারণ ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ খেলতে আজ মাঠে নামেন তিনি। প্রথম ইনিংসেই ব্যাটে ঝড় তুলে অর্ধশত করেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
১১ বাউন্ডারিতে ৮৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন সাকিব।
এখন ক্রিজে এসেছেন নাসির হোসেন। সঙ্গী হয়েছেন মুশফিকুর রহিমের।
বাংলাদেশের সংগ্রহ চা বিরতির আগে ৫ উইকেটে ১৯০ রান।

বিপর্যয়ে হালধরা জুটিতে ভাঙন
ভেঙে গেল বিপর্যয়ে বাংলাদেশের হালধরা তামিম-সাকিব জুটি। তামিম ইকবাল আউট হয়ে গেছেন ৭১ রান করে। সাকিবের (৭৫) সাথে এখন জুটি বেঁধেছেন মুশফিকুর রহিম।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি তামিম-সাকিবের
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৫৫ রান যোগ করেন বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। টেস্ট ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর অসিদের বিপক্ষে যেকোন উইকেট জুটিতে এই রান দ্বিতীয় স্থানে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি ১৮৭। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টের প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় উইকেটে ১৮৭ রান যোগ করেন নাফীস ও হাবিবুল বাশার।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের আগের সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিলো ৫০ রান। ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় ইনিংসে ৫০ রান যোগ করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস ও মোহাম্মদ আশরাফুল। পরবর্তীতে নাফীস ৭৯ ও আশরাফুল ২৯ রানে ফিরেন। আর ঐ টেস্টটি বাংলাদেশ হেরেছিলো ইনিংস ও ৮০ রানে।
অসিদের বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়ে সাকিব ৮৪ ও তামিম ৭১ রানে থামেন।

অর্ধশত করলেন তামিমও
টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচে অধর্শত করলেন তামিম ইকবাল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করলেন এই ড্যাশিং ওপেনার।
টেস্টে এটি তার ২৩তম হাফসেঞ্চুরি।
১১৯ বলে দুই বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় অর্ধশত করেন তিনি।
অপরপ্রান্তে থাকা সাকিব আছেন ৬৫ রান নিয়ে।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান।
মহাবিপর্যয় শক্ত হাতে সামাল দিলেন সাকিব-তামিম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মহাবিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ১০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা। শুরুর ধাক্কা পরবর্তীতে শক্ত হাতে সামালে উঠেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৬.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬৬ রান।

ফিফটি ম্যাচে সাকিবের ফিফটি
টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচে অধর্শত করলেন সাকিব আল হাসান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
টেস্টে এটি তার ২২তম হাফসেঞ্চুরি।
প্রথম সেশনে অপ্রতিরোধ্য সাকিব-তামিম
দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। প্রথম সেশনে অপ্রতিরোধ্য এই জুটির সংগ্রহ ৮৬ রান। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৯৬ রান।
অর্ধশতক থেকে মাত্র ২ রান দুরে সাকিব। তামিম ইকবালের সংগ্রহ ৩৩ রান।
তামিম-সাকিবের লড়াই
ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ খেলছেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। এই মুহূর্তে ক্রিজে আছেন তারা। লড়াই করে যাচ্ছেন। ১০ রানে তিন উইকেটের পতনের পর ক্রিজে আসেন সাকিব। জুটি বাধেন তামিম ইকবালের সাথে।
এ জুটির বোঝাপড়ায় দলের সংগ্রহ এখন ১৮ ওভারে ৫৫ রান।
সাকিবের সংগ্রহ ২৬ রান। আর তামিমের ১৭।
এর আগে সাজঘরে ফিরেছেন সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস ও সাব্বির রহমান।
বিপদে বাংলাদেশ
পর পর দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের পর একই ওভারে সাজঘরে ফিরলেন ইমরুল কায়েস। দলে কোনো রান যোগ না করে প্যাট কামিন্সের বলেই মাঠ ছাড়েন তিনি। এর আগে কামিন্সের শিকার হয়েছিলেন সৌম্য। এরপরের বলেই তার শিকার সাব্বির রহমান।
দুই ওভারে কোনো রান যোগ হয়নি স্কোর কার্ডে। ততক্ষণে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ১০ রান।

সহজেই আউট সৌম্য
দুই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফিরে যান সৌম্য সরকার। প্যাট কামিন্সের বলে সাজঘরে ফিরেন ওই ওপেনার।
তার পতনের পর তামিমকে সঙ্গ দিতে আসেন ইমরুল কায়েস।
টসে জয় বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বহুল প্রতিক্ষীত সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতেছে বাংলাদেশ। ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে।
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে তিন স্পিনার নিয়ে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম রয়েছেন স্পিন বিভাগে। একাদশে সুযোগ পাননি লিটন কুমার দাস, মুমিনুল হক ও তাসকিন আহমেদ।
বাংলাদেশ দল : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, মেহেদী হাসান, তাইজুল, শফিউল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

অস্ট্রেলিয়া দল : স্টিভেন স্মিথ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, ম্যাথু রেনশ, উসমান খাজা, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু ওয়েড (উইকেটরক্ষক), অ্যাস্টন আগার, প্যাট কামিন্স, নাথান লিঁও ও জশ হ্যাজেলউড।
টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র চারবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। চার ম্যাচের ভেন্যু ছিল- অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন ও কেয়ার্নস এবং বাংলাদেশের ফতুল্লা ও চট্টগ্রাম। আজ ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে পঞ্চমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। এই ভেন্যুতে আগে কখনোই মুখোমুখি হয়নি তারা।
তবে বাংলাদেশের চেয়ে অভিজ্ঞতায় অনেক পিছিয়ে থেকেই মিরপুরের ভেন্যুতে খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। কারণ মিরপুরের ভেন্যুতে কখনোই টেস্ট খেলেনি অসিরা। তবে নিজেদের হোম কন্ডিশন ভেন্যু মিরপুরে এখন পর্যন্ত ১৫টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ।
২০০৭ সালে মিরপুরের ভেন্যুতে প্রথমবারের টেস্ট খেলতে নামে বাংলাদেশ। এরপর ১৪ টেস্টে দুটি জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। এই ভেন্যুতে বাংলাদেশের দুটি জয় এসেছে জিম্বাবুয়ে ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০১৪ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ উইকেটে এবং ২০১৬ সালের অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৮ রানে জিতেছিলো বাংলাদেশ।

 

এছাড়া ১০টি হার ও ৩টি ড্র’র স্বাদও পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারত-শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তানের কাছে দুইবার করে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের কাছে একবার করে টেস্ট হারে টাইগাররা। আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইবার টেস্ট ড্র করে বাংলাদেশ।
মিরপুরের ভেন্যুতে সর্বশেষ গেল বছরের অক্টোবরে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয়টি ১০৮ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিলো টাইগাররা। ফলে টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করতে পারে মুশফিকুর রহিমের দল।
এক নজর চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার চার ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডে
২০০৩ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ :
প্রথম টেস্ট : ১৮ জুলাই ২০০৩, ভেন্যু- ডারউইন
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ৯৭/১০, ৪২.২ ওভার (মোহাম্মদ আশরাফুল ২৩, খালেদ মাহমুদ (অধিনায়ক) ২১, গ্লেন ম্যাকগ্রা ৩/২০)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৪০৭/৭ডি, ১১৭.৫ ওভার (ড্যারেন লেহম্যান ১১০, স্টিভ ওয়াহ (অধিনায়ক) ১০০*, মাশরাফি বিন মর্তুজা ৩/৭৪)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৭৮/১০, ৫১.১ ওভার (হাবিবুল বাশার ৫৪, আল শাহরিয়ার ৩৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৬৫)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১৩২ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : স্টিভ ওয়াহ (অস্ট্রেলিয়া)।
দ্বিতীয় টেস্ট : ২৫ জুলাই ২০০৩, ভেন্যু- কেয়ার্নস
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ২৯৫/১০, ৯২.১ ওভার (হান্নান সরকার ৭৬, হাবিবুল বাশার ৪৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৭৭)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৫৫৬/৪ডি, ১৩৯.২ ওভার (ড্যারেন লেহম্যান ১৭৭, স্টিভ ওয়াহ (অধিনায়ক) ১৫৬*, সানওয়ার হোসেন ২/১২৮)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৬৩/১০, ৫৮.৪ ওভার (হান্নান সরকার ৫৫, হাবিবুল বাশার ২৫ , স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৫৬)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৯৮ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (অস্ট্রেলিয়া)।
সিরিজ সেরা : স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (অস্ট্রেলিয়া)।
২০০৬ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ :
প্রথম টেস্ট : ৯ এপ্রিল ২০০৬, ভেন্যু- ফতুল্লা
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ৪২৭/১০, ১২৩.৩ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ১৩৮, হাবিবুল বাশার ৭৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৮/১০৮)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ২৬৯/১০, ৯৫.২ ওভার (এডাম গিলক্রিস্ট ১৪৪, জেসন গিলেস্পি ২৬, মোহাম্মদ রফিক ৫/৬২)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৪৮/১০, ৫০ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ৩৩, রাজিন সালেহ ৩৩, জেসন গিলেস্পি ৩/১৮)।
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস : ৩০৭/৭, ১০৭ ওভার (রিকি পন্টিং (অধিনায়ক) ১১৮*, ম্যাথু হেইডেন ৭২, মোহাম্মদ রফিক ৪/৯৮)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : এডাম গিলক্রিস্ট (অস্ট্রেলিয়া)।
দ্বিতীয় টেস্ট : ১৬ এপ্রিল ২০০৬, ভেন্যু- চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ১৯৭/১০, ৬১.২ ওভার (রাজিন সালেহ ৭১, খালেদ মাসুদ ৩৪*, জেসন গিলেস্পি ৩/১১)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৫৮১/৪ডি, ১৫২.৩ ওভার (জেসন গিলেস্পি ২০১*, মাইক হাসি ১৮২, মোহাম্মদ রফিক ২/১৪৫)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ৩০৪/১০, ৮০.২ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ৭৯, মোহাম্মদ রফিক ৬৫, শেন ওয়ার্ন ৫/১১৩)।

 

ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৮০ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : জেসন গিলেস্পি (অস্ট্রেলিয়া)।
সিরিজ সেরা : জেসন গিলেস্পি (অস্ট্রেলিয়া)।


দৈনিক সময় সংবাদ ২৪ ডট কম সংবাদের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares
error: Content is protected !!